রিজার্ভ আরও কমে নামল ১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:২১

রিজার্ভ আরও কমে নামল ১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১/০২/২০২৪ ০৮:৫৭:৫৯

রিজার্ভ আরও কমে নামল ১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে

ছবি: সংগৃহীত


বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমে ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। এর আগের দিন রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে ছিল। ডলার সংকটের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা বিক্রি করায় রিজার্ভ কমছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০২১ সালের আগস্টে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল। এরপর রিজার্ভ থেকে ২৯ বিলিয়ন ডলারের মতো বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রিজার্ভের ধারাবাহিক পতনের পাশাপাশি ডলারের দরও বেড়েছে অনেক। ২০২১ সাল নাগাদ আমদানির জন্য প্রতি ডলার ৮৫-৮৬ টাকায় পাওয়া যেত। এখন প্রতি ডলারের জন্য ১২২-১২৩ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এরপরও কাঙ্খিত ডলার না পেয়ে অনেকে এলসি খুলতে পারছেন না।

বাজারে ‘স্থিতিশীলতা’ আনতে রিজার্ভ থেকে নিয়মিত ডলার বিক্রি করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সময়ে বাণিজ্যিক কিছু ব্যাংক থেকে এক বিলিয়ন ডলারের মতো কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রেমিট্যান্স, রপ্তানি আয়, বিদেশি বিনিয়োগ, বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণ থেকে যে ডলার পাওয়া যায়—তা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তৈরি হয়। আবার আমদানি ব্যয়, ঋণের সুদ বা কিস্তি পরিশোধ, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা, পর্যটক বা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ বিভিন্ন খাতে যে ব্যয় হয়, তার মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রা চলে যায়। এভাবে আয় ও ব্যয়ের পর যে ডলার থেকে যায়—সেটাই রিজার্ভে যোগ হয়। আর বেশি খরচ হলে রিজার্ভ কমে যায়।  

এম সি


This is the free demo result. For a full version of this website, please go to Website Downloader