ছবি : সংগৃহীত
ফুটবলের মহানায়ক লিওনেল মেসিকে ছাড়াই জয়ে নতুন পথচলা শুরু করল আর্জেন্টিনা। আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রতিপক্ষকে সারাক্ষণ চাপে রেখেছিল গত দুই বিশ্বকাপের ফাইনালিস্টরা। একই সঙ্গে রক্ষণভাগ জমাট রেখে প্রতি-আক্রমণে প্রতিপক্ষকে তেমন কোনো সুযোগ দেয়নি লাতিন আমেরিকার চ্যাম্পিয়নরা।
কর্দোবায় বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বলিভিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দুই অর্ধে দুটি করে গোল করেন আলবিসেলেস্তেরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলিভিয়াকে প্রবল চাপে রাখে আর্জেন্টিনা। খেলার বেশির ভাগ সময়ই বল ছিল সফরকারীদের ডি বক্সের কাছাকাছি। ১৯তম মিনিটে প্রথম বড় সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে নেন লাউতারো মার্তিনেস। মাঝমাঠ থেকে আলেক্সিস মাক আলিস্তেরের বাড়ানো বল পেয়ে ডি বক্সে ঢুকে একটু সময় নিয়ে পোস্ট ঘেঁষে শট নেন তিনি। ডান দিকে ঝাঁপিয়েও সেই শট ঠেকাতে পারেননি বলিভিয়ার গোলরক্ষক।
এই ব্যবধান দ্বিগুণ করতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিকদের। ২৯তম মিনিটে এসেকিয়েল পালাসিওসের রক্ষণচেরা পাস পেয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে প্রথম স্পর্শেই বল জালে পাঠান নিকো পাহ। দেশের জার্সিতে এটি তার দ্বিতীয় গোল। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া করেন হুলিয়ান আলভারেস।
একই মেজাজে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে আর্জেন্টিনা। ৫৪তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ায় স্বাগতিকেরা। নিকো পাহর ফ্রি কিকে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান দলের নতুন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো।
এরপর ম্যাচের শেষ দিকে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ৮৩তম মিনিটে বদলি নামা স্ট্রাইকার হোসে মানুয়েল লোপেস সুযোগ হাতছাড়া করলেও ৮৫ মিনিটে জালে বল পাঠান। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়। অবশ্য পরের মিনিটেই আর হতাশ হতে হয়নি তাকে। ডি বক্সে বল পেয়ে নিখুঁত শটে ঠিকই জাল খুঁজে নেন লোপেস।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ঝাঁপিয়ে পড়ে লিওনেল ফ্লোরেসের হেড ঠেকিয়ে ব্যবধান আরও বাড়তে দেননি বলিভিয়ার গোলরক্ষক।
এদিকে আর্জেন্টিনার পরবর্তী সূচি অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার বুর্কিনা ফাসোর মুখোমুখি হবে দলটি। এরপর বুধবার বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। ওই ম্যাচেই দেশের জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামবেন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে যাওয়া মহাতারকা লিওনেল মেসি।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




