ছবি : সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের জাহানপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
টেঁটাবিদ্ধ সাবাজ মিয়া (৫৫) রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি জাহানপুর গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে।
এর আগে সংঘর্ষের চার দিন পর একই ঘটনায় টেঁটাবিদ্ধ সরলা বেগম (৪৫) মারা যান। তিনি জাহানপুর গ্রামের আলী আকবরের স্ত্রী।
জানা গেছে, গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে গোলাপ মিয়া ও ফিরুজ মিয়া পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে খেয়া নৌকা পারাপার নিয়ে ঝগড়া বাধে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহত ১০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে সরলা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। তিনি শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদিকে সবাজ মিয়ার মৃত্যুর খবরে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, সরলা বেগমের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাবাজ মিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ নিয়ে সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল দুই জনে।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




