ছবি:সংগৃহীত
দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরে মানুষের যে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, তা বাস্তবায়ন করাই নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথমবার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই চলমান ও ঝুলে থাকা কাজগুলো পর্যালোচনার কথা জানান তিনি। প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলে উল্লেখ করেন।
নতুন সরকারের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করেছি, সেটিই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি-এই তিন ভাগে ভাগ করা হবে।”
সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়া বেকারত্ব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেকারদের কাজের সুযোগ বাড়ানো হবে সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা শেষে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিদেশে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু বাজার সংকুচিত হয়েছে। তাই নতুন বাজার খুঁজে বের করা এবং বিদেশে অবস্থিত মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উইংয়ের কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে। কোথায় ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এক মাসে আলাদিনের চেরাগ জ্বালিয়ে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।’ তবে শ্রমিকদের ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিক বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
শিগগিরই শ্রমিক, মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে পারস্পরিক আলোচনায় সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা হবে বলেও জানান শ্রমমন্ত্রী।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




