ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করলেই বাড়বে অর্থনৈতিক প্রবাহ’- মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:২১ PM

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করলেই বাড়বে অর্থনৈতিক প্রবাহ’- মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪/০৬/২০২৬ ০৯:৩০:০৭ PM

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করলেই বাড়বে অর্থনৈতিক প্রবাহ’- মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির

ছবি:সংগৃহীত


শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি বলেছেন, দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী, বিনিয়োগবান্ধব ও কর্মসংস্থানমুখী করতে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অর্থনীতিতে যত বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার অংশগ্রহণ বাড়বে, তত বেশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিস্তৃত হবে। এর মাধ্যমে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবাহ আরও গতিশীল হবে।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: এসএমই খাতের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর বড় অংশই এমএসএমই খাতের প্রতিষ্ঠান। দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।

তিনি জানান, আগামী বাজেটে এমএসএমই খাতের জন্য প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচির প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এ অর্থের মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে। এছাড়া স্টার্টআপ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ কর্মসূচি, এসএমই ক্লাস্টার উন্নয়ন, যুব উদ্যোক্তা তৈরি, স্টার্টআপ সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন, মেন্টরশিপ এবং উদ্যোক্তা ডাটাবেজ তৈরির মতো কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে সরকার।

এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি সূচকই পূরণ করেছে। তবে এ উত্তরণকে টেকসই করতে আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি অকার্যকর সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পর্যায়ক্রমে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

লজিস্টিক ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের লজিস্টিক ব্যয় জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ১০ শতাংশ। বন্দর ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ চেইনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিতের মাধ্যমে এ ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করলেই বাড়বে অর্থনৈতিক প্রবাহ’- মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
‘স্বচ্ছতার বিষয়ে তিনি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন’- মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
‘মানসম্মত শিক্ষা ছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা সম্ভব নয়’- সিসিক প্রশাসক
গোয়াইনঘাট প্রত্যাশা কিন্ডারগার্টেনে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ওয়াশ বিষয়ক সচেতনতা সভা
হবিগঞ্জে ঝুঁ'কিপূর্ণ ভবনের তালিকা চাইলেন আদালত
সিলেটে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আ'শঙ্কা
নিজেকে প্রমাণ করলেন রোনালদো
শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ ও দানবাক্সের টাকা জমা হলো ব্যাংকে
মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করবেন: আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী
দুই সেতুর সংযোগ সড়ক উঁচু করার দাবিতে ছাতকে মানববন্ধন