ছবি সংগৃহীত
রাজধানী ঢাকার পর সিলেটে জনসমাবেশ করে নিজেদের সক্ষমতার জানান দিতে চেয়েছিলো নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন হারানো দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিচ্ছিলো দলটি। তবে সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পাবার ব্যাপারে পুলিশের তরফ থেকে ‘না বোধক’ জবাবই পাচ্ছে দলটি। এমনকি অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করতে চাইলে কঠোর হবার কথাও জানাচ্ছে পুলিশ।
তবে হাল ছাড়ছেন না জামায়াত নেতারা। ১৫ জুলাই সিলেটে সমাবেশের প্রস্তুতি যেমন অব্যাহত রেখেছেন, তেমনি আশাবাদী পুলিশের অনুমতি পাওয়ার ব্যাপারেও।
দলগতভাবে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভুমিকার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতিতে কোণঠাসা অবস্থায় ছিলো জামায়াত। গত ১০ জুন এর আগে প্রকাশ্যে সভাসমাবেশ থেকে একরকম নির্বাসিতই ছিলো দলটি। ঝটিকা মিছিল আর গোপন সভার মধ্যেই রাজনীতি সীমাবদ্ধ থাকলেও তাও করা যেতোনা নির্বিঘ্নে। সেখানেও নানা সময়ে পুলিশি অভিযানে আটক, গ্রেফতারের মতো ঘটনা ঘটতো।
তবে হঠাৎ করেই প্রকাশ্য কর্মসূচি ঘোষণা আর ঢাকায় প্রকাশ্যে সমাবেশ করার ফলে প্রকাশ্য রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখা শুরু করে একাত্তরে বিতর্কিত ভুমিকা রাখা দলটি। ঘোষণা আসে সবকটি বিভাগীয় শহরে শোডাউনের। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ জুলাই সিলেটের রেজিস্টারি মাঠে সমাবেশের ডাক দেন তারা।
সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি চেয়ে গত ৫ জুলাই চার আইনজীবিসহ এসএমপি সদর দপ্তরে যান দলটির সিলেট মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী। সেসময় তিনি অনুমতি পাবার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন।
তবে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. ইলিয়াছ শরীফ একটি গণমাধ্যমকে জানান, জামায়াতের আবেদন পেয়েছি। তবে তাদের সমাবেশে নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর অনুমতি ছাড়া ১৫ জুলাই জামায়াত মাঠে নামলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে পুলিশের অনুমতি না পেলেও জোরেসোরেই ১৫ জুলাইয়ের সমাবেশের প্রচারণা চালাচ্ছে জামায়াত।
জৈন্তাবার্তা/এমকে



