ছবি সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার রাত থেকে হালকা বৃষ্টিপাত হলেও পাহাড়ি ঢল বন্ধ থাকায় গত ৪৮ ঘন্টায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সুরমাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
লোকালয় ও রাস্তাঘাট থেকে পানি নামতে শুরু করলেও ভাটিতে পানির টান না থাকায় কমেনি হাওর খালবিল ও ফসলি মাঠের পানি। বিনষ্ট হয়েছে শত শত হেক্টর আমনের বীজতলা। ফলে আমনসহ আগামি অগ্রহায়ণি মৌসুমি ফসলের আশানুরূপ উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত রয়েছেন বানভাসি কৃষকরা।
এদিকে গো-খাদ্য সংকটসহ নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বি দ্রব্যমূল্যে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন। কেননা গত বছরের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতচিহ্ন এখনো মুছেনি তাদের অন্তর থেকে।
এদিকে বিভিন্ন ব্যাংক ও স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে চড়াসুদে আনা ঋণ এখনো শোধ করাতো দূরের কথা, রীতিমতো স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের মুখে দু’বেলা অন্ন তুলে দিতে পারেননি প্রান্তিক বর্গাচাষিসহ হাজারো কৃষিজীবী পরিবার।
তাই এ মূহুর্তে পুরনো কৃষিঋণ মওকুফ করে বিনাসুদে নতুন ঋণ ও ভর্তূকি প্রদান, বিনামূল্যে সার ও বীজসহ সরকারি বিভিন্ন অনুদান প্রদানের জোর দাবি জানান তারা।
জৈন্তাবার্তা/এমকে



