বিশ্বজুড়ে ১১ বছরে ৭২ হাজার অভিবাসীর মৃ*ত্যু
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৯ AM

বিশ্বজুড়ে ১১ বছরে ৭২ হাজার অভিবাসীর মৃ*ত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২/০৫/২০২৫ ০১:৪৫:০৭ AM

বিশ্বজুড়ে ১১ বছরে ৭২ হাজার অভিবাসীর মৃ*ত্যু

ছবি : সংগৃহীত


২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিজ দেশে বা বিভিন্ন অভিবাসন রুটে বিশ্বজুড়ে ৭২ হাজার অভিবাসী মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন। এই ১১ বছরে ৫২ হাজারেরও বেশি মানুষ সংকটকবলিত দেশগুলো থেকে পালিয়ে বাঁচতে গিয়ে বিভিন্ন অভিবাসন রুটে মারা গেছেন।

গত সোমবার (২৮ এপ্রিল) আইওএমের মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্ট তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। সেখানেই এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সংকট উত্তরণে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

গত মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিবাসন রুটে প্রাণ হারানো বেশির ভাগ মানুষই নিজের ইচ্ছায় বিপজ্জনক যাত্রা বেছে নেননি। বরং হতাশা, নিরাপত্তাহীনতা, সংঘাত, দুর্যোগ এবং অন্যান্য মানবিক সংকটের কারণেই পালাতে বাধ্য হয়েছেন তারা, বেছে নিতে হয়েছে বিপজ্জনক পথ। এই সময়কালে ৩৯ হাজারেরও বেশি মানুষ সংকট অঞ্চলে মারা গেছেন।

আইওএম জানিয়েছে, প্রাণ হারানো এসব মানুষ নিজ দেশেই অনিরাপদ পরিস্থিতিতে আটকা পড়েছিলেন। আর ১৩ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ সংঘাত বা দুর্যোগ থেকে পালাতে গিয়ে মারা গেছেন।

প্রতিবেদনে ‘সংকটকবলিত দেশ’ বলতে ৪০টি দেশকে বুঝিয়েছে আইওএম। এর ব্যাখ্যায় সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আইওএম অথবা জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ইউএনওসিএইচএ-এর তালিকাভুক্ত ৪০টি দেশকে বোঝানো হয়েছে, যেখানে ক্রাইসিস রেসপন্স প্ল্যান (সিআরপি) বা হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স প্ল্যান (এইচআরপি) কার্যকর রয়েছে।

এই ১১ বছরে সবেচেয়ে বেশি মারা গেছেন আফগানিস্তানের নাগরিকেরা। দেশটির অন্তত পাঁচ হাজার ৪৬ জন মানুষের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে আইওএম।  দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। তিন হাজার ১৪৯ রোহিঙ্গার মৃত্যু নথিভুক্ত করা হয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ইথিওপিয়ার এক হাজার ৯২৩ জন এবং চতুর্থ স্থানে থাকা সিরিয়ার এক হাজার ৪৩৩ জন নাগরিকের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে আইওএম।

তালিকার দশম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের নাম। এই ১১ বছরে অভিবাসন রুটে দেশটির ৩৪৬ জন নাগরিকের মৃত্যু নথিভুক্ত করেছে আইওএম।

আইওএমের মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, ‘এই সংখ্যাগুলো একটি দুঃখজনক পরিস্থিতিকে তুলে ধরে। যখন নিরাপত্তাহীনতা, সুযোগের অভাব এবং অন্যান্য চাপের কারণে নিজ দেশেও কোনো নিরাপদ বা কার্যকর বিকল্প খুঁজে পাওয়া যায় না, মানুষ তখনই জীবনের ঝুঁকি নেয়।’

অ্যামি পোপ আরো বলেন, ‘আমাদেরকে অবশ্যই সমাজের মধ্যে স্থিতিশীলতা এবং সুযোগ তৈরির জন্য বিনিয়োগ করতে হবে, যাতে অভিবাসন একটি বিকল্প হয়, কিন্তু প্রয়োজনীয়তা যেন না হয়। কিন্তু যখন একটি জায়গায় আর কোনোভাবেই থাকা সম্ভব হবে না, তখনই মানুষ ঝুঁকি নেবে। এ জন্য আমাদের অবশ্যই জীবন বাঁচাতে নিরাপদ, আইনি এবং নিয়মিত পথ তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

জৈন্তা বার্তা/আরআর



শীর্ষ সংবাদ:

বুরুঙ্গা বাজার সড়কের প্রস্থ কমানোর অ*ভিযোগ, বাড়ছে দু*র্ঘটনার ঝুঁ*কি
নৈতিকতায় সমৃদ্ধ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে: হুমায়ুন কবির
‘আমার সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে এমসি কলেজ’ : এমপি এমরান চৌধুরী
কালনী নদীতে কুমিরের আবির্ভাব, জেলে-মাঝিদের মধ্যে চরম আ*তঙ্ক
অনলাইন জু*য়াড়িসহ ৬ জন গ্রে*প্তার, অ*পহৃত কিশোরী উ*দ্ধার
সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: আরিফুল হক চৌধুরীর
সুনামগঞ্জে কমেছে পানির স্তর, নেই বন্যার শ'ঙ্কা
আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা
সিলেটে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝ'ড়ের শ'ঙ্কা
সিলেটে উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসব