জা*মায়াতের নিবন্ধন-প্রতীক নিয়ে আপিলের রায় রোববার
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৬ PM

জা*মায়াতের নিবন্ধন-প্রতীক নিয়ে আপিলের রায় রোববার

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১/০৬/২০২৫ ১২:৫৭:১৩ PM

জা*মায়াতের নিবন্ধন-প্রতীক নিয়ে আপিলের রায় রোববার

ছবি : ফাইল ফটো


রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের রায় হবে রোববার (১ জুন)।

এদিন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের কার্যতালিকার মামলাটি রায়ের জন এক নম্বরে রয়েছে। এর আগে ১৪ মে এ মামলায় আপিল শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

ওইদিন আদালতে জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত না থাকায় আদালত আপিল মামলাটি খারিজ করে দেন।

এরপর আপিলটি পুনরুজ্জীবনের জন্য আবেদন করা হয়। গত বছরের ২২ অক্টোবর আদালত বিলম্ব মার্জনা করে আপিলটি শুনানির জন্য রিস্টোর করেছেন অর্থাৎ পুনরুজ্জীবন করেছেন।

এর আগে ৩ ডিসেম্বর আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল। চতুর্থ দিনের মতো শুনানি শেষে মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়।  

২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতকে সাময়িক নিবন্ধন দেওয়া হয়। পরের বছর বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির তৎকালীন মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মাওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।

রিটে জামায়াতের তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নির্বাচন কমিশনসহ চারজনকে বিবাদী করা হয়। তারা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের আর্জি জানান।

এ রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক (পরে প্রধান বিচারপতি) ও বিচারপতি মো. আবদুল হাইয়ের (বর্তমানে অবসর) হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি রুল জারি করেন। নিবন্ধন নিয়ে রুল জারির পর ওই বছরের ডিসেম্বরে একবার, ২০১০ সালের জুলাই ও নভেম্বরে দু’বার এবং ২০১২ সালের অক্টোবর ও নভেম্বরে দু’বার তারা গঠনতন্ত্র সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয় জামায়াত। এসব সংশোধনীতে দলের নাম ‘জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ’ পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ করা হয়।

২০১৩ সালের ১২ জুন ওই রুলের শুনানি শেষ হয়। একই বছরের ১ আগস্ট জামায়াতকে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে অবৈধ বলে রায় দেন বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন (বর্তমানে অবসর), বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম (পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন) ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল-হকের (১৯ নভেম্বর পদত্যাগ করেন) সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর (লার্জার) বেঞ্চ।

সে সময় সংক্ষিপ্ত রায়ে আদালত বলেন, এ নিবন্ধন দেওয়া আইনি কর্তৃত্ব বহির্ভূত। একইসঙ্গে আদালত জামায়াতে ইসলামীকে আপিল করারও অনুমোদন দিয়ে দেন।  এ রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে জামায়াতের করা আবেদন একই বছরের ৫ আগস্ট খারিজ করে দেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী। পরে একই বছরের ২ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে জামায়াত আপিল করে। ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।  এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে টানা চতুর্থ মেয়াদে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসে। তবে গত বছর জুলাই থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগে ছাত্র-জনতা সরকার পতনের দাবি তোলে। এর মধ্যে ১ আগস্ট সরকার অঙ্গ-সংগঠনসহ জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।


৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর জামায়াত নিষিদ্ধের আবেদন বাতিলের উদ্যোগ নেয়। ২৮ আগস্ট সরকার আগের নিষিদ্ধের আদেশ বাতিল করে। এরপর আপিল বিভাগে নিবন্ধন মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য আবেদন করে।

জৈন্তাবার্তা / রহমান



শীর্ষ সংবাদ:

আজমিরীগঞ্জে বৃষ্টি আর শ্রমিক সং*কটে বি*পাকে কৃষকরা
অতিবৃষ্টি ও ঢলে তলিয়ে গেছে ধান, দিশাহারা লাখো কৃষক
শনিবার সিলেটে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, ব্যাপক প্রস্তুতি
সিলেটসহ ৯ জেলার জন্য আবহাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ
সিলেটসহ ৯ জেলার জন্য দুঃসংবাদ
স্বর্ণ খাতকে সাদা অর্থনীতিতে আনতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির
তারেক রহমানের সিলেট সফর ঘিরে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল
প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে নগরীতে ড্রোন ও উড়োজাহাজ উড্ডয়নে নিষেধাজ্ঞা জারি
বরাম হাওরে বোরো ধান কাটার অগ্রগতি পরিদর্শনে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট আগমন ঘিরে মহানগর ছাত্রদলের স্বাগত মিছিল