হামাসের সামরিক শাখা আল কাসেম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবেইদা এক ভাষণে বলেন, ‘মধ্যস্থতাকারীদের আমরা ইতোমধ্যে জানিয়েছি যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমরা বেশ কয়েকজন বিদেশিকে (জিম্মিকে) ছেড়ে দেবো।
তিনি আরও বলেন, আমরা আরও জানিয়েছি যে, এই গাজা উপত্যকাকে ইসরাইলের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের কবরস্থান না বানানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
এর আগে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা ‘শিশুদের কবরস্থানে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এলডার।
জেনেভায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গাজায় শুধুমাত্র ইসরাইলের বোমা হামলায় শিশুরা মারা যাচ্ছে না; প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবেও তাদের মৃত্যু হচ্ছে।
টানা তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিয়মিত আগ্রাসী হামলা চালাচ্ছে দখলদার ইসরাইলী বাহিনী। তাদের হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে অঞ্চলটির বিভিন্ন হাসপাতাল। এছাড়াও নিয়মিত বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি তো রয়েছেই।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী, গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত সাড়ে ৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজারের বেশি শিশু ও ২ হাজারেরও বেশি নারী রয়েছেন। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২০ হাজার।
JA




