জুমার আগে মুসল্লিদের মাঝে মা দ ক বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচার চালাল জৈন্তাপুর মডেল থানা
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ PM

জুমার আগে মুসল্লিদের মাঝে মা দ ক বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচার চালাল জৈন্তাপুর মডেল থানা

সাইফুল ইসলাম বাবু, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭/০৭/২০২৬ ০৪:৩০:২৫ PM

জুমার আগে মুসল্লিদের মাঝে মা দ ক বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচার চালাল জৈন্তাপুর মডেল থানা

সংগৃহীত


মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে জুমার নামাজের পূর্বে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানা।শুক্রবার (১৭ই জুলাই ) জৈন্তাপুর মডেল থানার উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন জামে মসজিদে একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ দিন নিজপাট চুনাহাটি জামে মসজিদে  উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ।এছাড়া, ওসির প্রতিনিধি হিসেবে একই দিন চিকনাগুল উমনপুর জামে মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন জৈন্তাপুর মডেল থানার এএসআই মো. শাহজান আলী।


 একই সময়ে ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের আসামপাড়া মদীনা জামে মসজিদে সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন এসআই রফিকুল ইসলাম। 

বক্তব্যে ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে শুধু পুলিশের অভিযানই যথেষ্ট নয়, পরিবার ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধু-বান্ধব ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের প্রতি নিয়মিত নজর রাখতে হবে। পরিবারের সচেতনতা থাকলে অনেক তরুণকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব।ওসি আরও বলেন, আইনগত ব্যবস্থা চলমান থাকবে। তবে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জনগণের সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে একটি নিরাপদ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত জৈন্তাপুর গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে নিজের জন্য দোয়া কামনা করেন এবং সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা ও মাদকমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মসজিদভিত্তিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর। ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ: