ছবি:সংগৃহীত
বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতি (বামছাস) আয়োজিত প্রাইমারি ও জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দেশের মণিপুরী অধ্যুষিত পাঁচটি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রগুলো হলো-ভানুগাছ, ছোট ধামাই, নলডরী, হবিগঞ্জ ও সিলেট। এবারের পরীক্ষায় ৪৩২ জন মণিপুরী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
১৯৯২ সালে যাত্রা শুরু করা বামছাসের এই মেধাবৃত্তি কার্যক্রম তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রাথমিক ও জুনিয়র পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং শিক্ষার প্রসারে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
দীর্ঘদিনের এই কার্যক্রম পরিচালনায় আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন বামছাসের দুই উপদেষ্টা অসেম সত্যজিত ও এল নন্দলাল সিংহ। তাঁদের পাশাপাশি কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষীর সহযোগিতায় নিয়মিতভাবে এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে।
এবারের পরীক্ষায় পাঁচটি কেন্দ্রে একযোগে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে মণিপুরী অধ্যুষিত বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের একই শিক্ষামূলক কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। প্রাথমিক ও জুনিয়র পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকায় এটি তাদের মেধা যাচাইয়ের পাশাপাশি পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
বৃত্তি কার্যক্রমের সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছেন অসেম সত্যজিত, এল নন্দলাল সিংহ এবং শুভাকাঙ্ক্ষী কেএইচ বীরেন ও শেরাম প্রমোদ।
এ ছাড়া বৃত্তি নির্বাচন পরিষদের ময়েংবম মুকেশ, খোঞ্জেল মীতৈ, সিদ্ধার্থ সিংহ, শোভন শর্মা, উৎপল সিংহ, য়ুম্নাম প্রিন্স, সূচনা দেবী ও ঐশিকা দেবীসহ বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতির কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা আয়োজনটি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকা মণিপুরী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রসার ও মেধা বিকাশে বামছাসের ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




