মেয়ের চেহারার দিকে অপলক তাকিয়ে আছেন মা সাওসান বাকি। ছবি: সংগৃহীত
আনন্দের অশ্রু তার গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিল। যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না মেয়ে মারাহ বাকের তার সামনে দাঁড়িয়ে। অপলক তাকিয়ে থাকলেন মেয়ের চেহারার দিকে। জড়িয়ে নিলেন বুকে। এঁকে দিলেন স্নেহের চুম্বন।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার সাওসান বাকির ঘরে আজ আনন্দ উদযাপন হচ্ছে। ৮ বছর পর ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ফিরেছে তার ২৪ বছর বয়সী মেয়ে মারাহ বাকের। সেই ১৬ বছর বয়সী বাকেরকে হারিয়েছিলেন তিনি। মেয়েকে অভ্যর্থনা জানাতে সিঁড়ি দিয়ে দৌঁড়ে আসেন সাওসান বাকি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) কাতারের মধ্যস্থতায় গাজায় চারদিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনেই চুক্তির শর্তানুযায়ী ১৩ জন হামাস বন্দীর বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পায় ৩৯ জন ফিলিস্তিনি নারী ও শিশু। এদের মধ্যে মারাহ বাকের একজন।
সাওসান মেয়ের মুক্তিতে ভাসছিলেন আনন্দের সাগরে। উৎফুল্ল কণ্ঠে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমি আপনাকে বলেছিলাম মারাহ সুন্দর। আপনি নিজেই দেখতে পাবেন ও কত সুন্দর’।
মেয়ে আসার পর যখন তিনি তার মেয়েকে জড়িয়ে ধরেন তখন আনন্দ-অশ্রু নেমে আসে তার চোখে। মেয়েকে জড়িয়ে ধরে অবিরাম চুম্বন করতে থাকেন মা সাওসান।
ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী হওয়ার আগে বাকের পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জাররাহ পাড়ার আল-মাইমুনা স্কুলের ১৬ বছর বয়সী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।
JA




