মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কেন জামিন দেয়া হবে না-এই মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আবেদনের শুনানি শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো: সেলিম এবং বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের ডিভিশন বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা মামলায় হাইকোর্টে মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন করা হয়। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, ফজলুর রহমান খান, ব্যারিস্টার খন্দকার মাহবুবউদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রূহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল ও সগির হোসেন লিওন শুনানিকালে উপস্থিত ছিলেন। সরকার পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিএম রাফেল শুনানিতে অংশ নেন।
এর আগে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা মামলায় গত ৩ ডিসেম্বর মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। এরও আগে গত ২২ নভেম্বর তার জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। এছাড়া ২ নভেম্বর একই আদালতে জামিন আবেদন দাখিল করেন মির্জা ফখরুলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।
২৮ অক্টোবরের ওই ঘটনায় রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




