ফাইল ছবি
হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন আফরোজ গত ইউপি নির্বাচনে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাক্ষণডুরা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয় চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ আদিল জজ মিয়ার সাথে। গত ৬ ফেব্রুয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান জজ মিয়া, মেম্বার সালেক মিয়াসহ কয়েকজন মিলে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন হেলাল উদ্দিন আফরোজকে। পরে তাকে আটকে রাখেন ইউনিয়ন অফিসে। শুধু তাই নয়, পুলিশকে দিয়ে তাকে একটি মামলায় গ্রেফতার করিয়ে আদালতে সোপর্দ করেন তাকে। পরে আদালত থেকে জামিনে এসে চিকিৎসা নিয়ে মঙ্গলবার আদালতে মামলা দায়ের করেন হেলাল উদ্দিন আফরোজ। হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে এফআইআর এর আদেশ দেন।
এ ব্যাপারে হেলাল উদ্দিন আফরোজ বলেন, নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় জজ মিয়া আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানী করার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আমাকে মারপিট করে গুরুতর জখম করেছেন। আমাকে চিকিৎসা করার সুযোগ না দিয়ে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করিয়েছেন। আমি ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী ও হেলাল উদ্দিন আফরোজের নিযুক্তিয় আইনজীবী এডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন বলেন, ‘ক্ষমতা থাকলেই কেউ এভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করবে তা কাম্য নয়। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন। আশা করি বাদী উপযুক্ত বিচার পাবে’।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




