ছবি: সংগৃহীত
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও বানিয়াচংয়ে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে হাওরে থাকা পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা করছেন কৃষক। ঝড়ে ভেঙে পড়েছে কাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালা। শতাধিক স্থানে বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার গ্রাহক।
রোববার বিকেল ৪টার দিকে নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলার উপর দিযে এই কালবৈশাখি ও শীলাবৃষ্টি বয়ে যায়। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নবীগঞ্জ উপজেলা।
স্থানীয়রা জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকা, গজনাইপুর, দেবপাড়া ও পানিউমদা ইউনিয়নের অন্তত অর্ধশতাধিক গ্রামের উপর দিয়ে কালবৈশাখি ঝড় বয়ে যায়। এ সময় টাকা ২০ মিনিটের বেশি ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। একেকটা শিলার ওজন প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত। শিলাবৃষ্টিতে অনেকের ঘরের টিন ছিদ্র হয়ে গেছে বলেও জানান স্থানীয়রা।
এদিকে, ২০ মিনিটের ঝড়ে অর্ধশিতাধিক গ্রামের প্রায় কয়েকশ’ কাচাঁ ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। গাছপালা ভেঙে সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ মহা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ বলেন, ‘কালবৈশাখি ঝড়ে নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধিন অন্তত ১০০টির বেশি স্থানে লাইনের ক্ষতি হয়েছে। যে কারণে কয়েক হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারিরা লাইন মেরামতের জন্য কাজ করছেন। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হবে।
হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘যেহেতু হাওরের অনেক ধান কাটা হয়ে গেছে সুতরাং ক্ষয়ক্ষতি তেমন হবে না। তবে আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা তথ্য সংগ্রহ করছেন। আপাতেো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা যাচ্ছে না।
এস এইচ টি/




