ছবি:সংগৃহীত
সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন ও পরিদর্শন
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট নগরের ৪২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি সড়ককে পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে। যেসব সড়কের উন্নয়ন এখনো হয়নি, সেগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে নগরের ফাজিলচিশত খানবাড়ী সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। তাঁর সহযোগিতায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে অনেক সড়কের কাজ শেষ হয়েছে, কিছু সড়কের কাজ চলমান রয়েছে এবং আরও কয়েকটি সড়কের উন্নয়নকাজের দরপত্র প্রক্রিয়া চলছে। পর্যায়ক্রমে ৪২টি ওয়ার্ডের সব সড়ক উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার করা হচ্ছে। টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সড়ক নির্মাণে আরসিসি ব্যবহার করা হচ্ছে। উন্নয়নকাজের গুণগত মান বজায় রাখা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ফাজিলচিশত খানবাড়ী সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন শেষে ফলক উন্মোচন করেন সিসিক প্রশাসক। পরে এলাকাবাসীকে নিয়ে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়নকাজে কোনো অনিয়ম বা ত্রুটি দেখা দিলে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করার পাশাপাশি কাজের মান নিশ্চিত করতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নজর রাখতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মহসিন খান, হাসিব খান, ওয়ালী খান জাবেদ, ওয়াকিল খান পাবেদ, ওয়াসিফ খান, ইয়াজদান খান, ললিত আহমদ খান, সৈয়দ সাফেক মাহবুব, কায়ের চৌধুরী শাহান, বুরহান আফরোজ, আতিকুর রহমান পাপ্পু, রফিক খান, সাজ্জাদ আহমদ, তৌহিদ আহমদ, স্বাধীন, মেহদী হাসান বাবু ও সেলিম আহমদসহ অনেকে।
পরে সিসিক প্রশাসক নগরের চালিবন্দরে কাষ্টঘর প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সড়কের আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন এবং কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
এ সময় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সড়কের উন্নয়নকাজ চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা করতে হবে। পাশাপাশি কাজের মান ও অগ্রগতি তদারকিতেও তাঁদের ভূমিকা রাখতে হবে।
এ সময় সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দুপুরে সিসিক প্রশাসক নগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মুরাদপুর প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ ঘুরে দেখেন এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন। পরে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করে সড়কের উন্নয়ন নিয়ে তাঁদের মতামত ও প্রয়োজনের কথা শোনেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




