ভোলাগঞ্জ বর্ডার হাটে ভারতীয় ক্রেতা কম
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৫ AM

হতাশ বাংলাদেশি বিক্রেতারা

ভোলাগঞ্জ বর্ডার হাটে ভারতীয় ক্রেতা কম

ফারুক আহমেদ, কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০/০৮/২০২৩ ০৬:১২:৪৬ AM

ভোলাগঞ্জ বর্ডার হাটে ভারতীয় ক্রেতা কম

নিজস্ব প্রতিনিধি


গত ৬ মে চালু হওয়ার পর থেকে জমে ওঠেছে ভোলাগঞ্জ বর্ডার হাট। প্রতি শনি ও বুধবার এই হাটে কেনাবেচা চলে। প্রতি হাটবারে ক্রেতা-বিক্রেতারা ভিড় করেন। দর্শনার্থীরাও আসেন দূর-দূরান্ত থেকে। হাট ব্যবস্থাপনাও বেশ ভালো। তবে, হাটের বেশিরভাগ ক্রেতাই বাংলাদেশের বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ কারণে ভারতীয় পণ্যের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় থাকে বেশি। তাদের বেচাবিক্রিও বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হয়।

ভারতের মেঘালয়ের ইস্ট খাসি হিলস ও কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে এই বর্ডার হাটের অবস্থান। কথা হয় বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হানিফ মাহমুদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা যদি এক লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করেন সেখানে আমরা বিক্রি করি মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। ভারতীয় ক্রেতা কম, আমাদের বেচা-বিক্রিও কম।

প্লাস্টিক পণ্য বিক্রি করেন রহমত আলী। তিনি বলেন, ভারতীয়রা বাংলাদেশের হাঁস-মোরগ, মাছ-মাংস, ডিম ও শুটকি নিতে আগ্রহী। কিন্তু, আমাদের তরফ থেকে এগুলো বিক্রির অনুমোদন নেই।

সাইফুল আলম নামের দোকানি বলেন, সব মিলিয়ে বেচাবিক্রি মন্দ না। বাংলাদেশি ক্রেতায় হাট জমলেও ভারতের ক্রেতা নাই বললেই চলে। 

অপরদিকে, ভারতের মাঝাই এলাকার বাসিন্দা অরুণ হাজং ও তার মা মায়া হাজং বলেন, হাটে তারা বিস্কিট ও কসমেটিকস বিক্রি করেন। এক দিনে তারা ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করতে পারেন।

ভারতের মাঝাই কেলেপ্সি এলাকার বাসিন্দা রিংকি জাওরা ও জুই। সম্পর্কে তারা স্বামী-স্ত্রী। হাটে কসমেটিকস, বিস্কিট ও জুতা বিক্রির পাশাপাশি নাশপাতি, আনারস ও কাঁঠাল বিক্রি করেন তারা । প্রতি হাটে বাংলাদেশি টাকায় এক লাখ টাকার মতো ব্যবসা হয় তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা আখতারুজ্জামান নোমান বলেন, বর্ডার হাট চালু হওয়ায় বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সীমান্তের মানুষের মধ্যে হৃদ্যতা বেড়েছে। ব্যবস্থাপনা কমিটির সুন্দর ব্যবস্থাপনায় হাটটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, হাটের উত্তরে ভারতের উঁচু মেঘালয় পাহাড়। পূর্বে শুল্ক স্টেশন দিয়ে প্রবেশ করছে চুনাপাথরবাহী ভারতীয় গাড়ি। এর পূর্বে ধলাই নদী। স্থানীয়দের পাশাপাশি ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর ঘুরতে আসা পর্যটকও ঢুকেন হাটে। তাঁরা হাটে কেনাকাটাও করেন। হাটের জায়গাটি কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া। দুই দিকে দুটি ফটক আছে। একটিতে বাংলাদেশের বিজিবি, অন্যটিতে ভারতের বিএসএফের পাহারা আছে। টিকিট ছাড়া ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই ঢুকতে পারেন না। হাটে রয়েছে দুই দেশের পঞ্চাশ দোকান। একজন ক্রেতা এক দিনে সর্বোচ্চ ৫০ ডলার সমপরিমাণ মূল্যের পণ্য কিনতে পারেন। 

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুসিকান্ত হাজং বলেন, আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। ভারতীয় পণ্যে বাংলাদেশিদের আগ্রহ বেশি। এ কারণে বাংলাদেশি ক্রেতা বেশি। তবে, আমরা ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট আছি।

এম. এইচ. এ



শীর্ষ সংবাদ:

পরিসংখ্যানে স্পেন, মেসির জাদুতে আর্জেন্টিনা-কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ?
শিক্ষা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব সুদৃঢ় করার শক্তিশালী মাধ্যম : এমপি এমরান চৌধুরী
বৈ*ষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে কাজ করতে হবে: আবুল কাহেরচৌধুরী শামীম
ঝটিকা মিছিল নিয়ে উত্তাল সিলেট, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অ*ভিযোগ ছাত্রদলের
সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: এমপি এমরান চৌধুরী
সিলেটে বিশেষ অ'ভিযানে গ্রে'প্তার ৪৬ জন
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃ'ত্যু
বুরুঙ্গা বাজার সড়কের প্রস্থ কমানোর অ*ভিযোগ, বাড়ছে দু*র্ঘটনার ঝুঁ*কি
নৈতিকতায় সমৃদ্ধ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে: হুমায়ুন কবির
‘আমার সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে এমসি কলেজ’ : এমপি এমরান চৌধুরী