ফাইল ছবি
ছাতকের সুরমা ব্রিজ থেকে সড়ক ও জনপথের (সওজ) পুরাতন অফিস পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিমি সড়ক, রোড ডিভাইডার, সড়কবাতিসহ চার লেনে উন্নীতকরন প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোন পেয়েছে। মঙ্গলবার একনেক সভায় এ প্রকল্পটি অনুমোদন হয়।
এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি, এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি কে ছাতক-দোয়ারা ও পৌরবাসির পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ছাতক পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী।
এ ছাড়া গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক-দোয়ারাবাজার (জেড-২৮০২) সড়কের গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট থেকে ছাতকের সুরমা ব্রিজের এপ্রোচ পয়েন্ট প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা ১৮ ফিট থেকে ৩৪ ফিটে প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প একইসাথে অনুমোদন দেয়া হয়।
২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ সড়ক বিভাগের বিভিন্ন সড়ক, সেতু ও কালবার্ড সমূহের জরুরি পুনর্বাসন ও পুনঃনির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের মধ্যে ৩৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ছাতকে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সওজ’র প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে ছাতক পৌরসভার প্যাডে লিখিত এক আবেদনে ছাতক পৌরসভার প্রবেশদ্বার থেকে ট্রাফিক পয়েন্ট পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এবং সওজ’র কার্যালয় হতে লাফার্জ ফেরিঘাট পর্যন্ত ১.৫ কিলোমিটারসহ মোট ৪.৫ কিলোমিটার রাস্তা ফোর লেনে উন্নীতরন এবং ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত আধাকিলোমিটার রাস্তা ভিটোমিনাস করার দাবি জানান পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী। পরবর্তীতে তিনি ছাতকের প্রবেশদ্বার গোবিন্দগঞ্জ থেকে ছাতকের ট্রোফিক পয়েন্ট পর্যন্ত ফোরলেন উন্নীতকরণের দাবি জানান। ১৬ জুন এ আবেদনের বিষয়টি জরুরি ও নাগরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট হওয়ায় বর্ণিত বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি।
পরবর্তীতে গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক-দোয়ারাবাজার (জেড-২৮০২) সড়কের গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা এবং ব্যবহারের দিক তুলে ধরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বরাবরে মন্ত্রণালয়ের প্যাডে চিঠি দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি।
পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরীর আবেদনের প্রায় ৩ বছর পর ছাতক উপজেলাবাসীর দীর্ঘদনের কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে স্থানীয়রা মনে করছেন।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী বলেন, ‘ছাতকের এসব উন্নয়ন ও স্বপ্নের চার লেন সড়ক বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘ প্রায় ৩ বছর ধরে চিঠি চালাচালি ও যোগাযোগ রক্ষা করে আসছি। সওজ’র প্রধান প্রকৌশলীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে কাজের অনুমোদনের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নিতাম। পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি ছাতকবাসীর জন্য আন্তরিক থাকায় প্রকল্পটি আলোরমুখ দেখেছে।’
এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
SH




