ছবি: সংগৃহীত
নদীপথে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে বড় তিন শুল্কস্টেশন তাহিরপুরের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলিতে চুনাপাথর-কয়লা ৫দিনের মতো বিক্রি এবং পরিবহন বন্ধ রেখেছে তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ। এতে কর্মহীন দিন কাটছে অন্তত ২০ হাজার শ্রমিকের। সমস্যা সমাধান করে দ্রুত কয়লা আমদানি চালু করার দাবি জানান শ্রমিকরা।
নদীপথে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখা হবে বলে জানান তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারকরা। আমদানি বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। যার ফলে প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকার পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকছে।
তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি আলকাছ উদ্দিন খন্দকার জানান, কয়লা চুনাপাথর পরিবহনের সময় পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন নৌকা ও বাল্কহেড চালকরা। এতে নদীপথে পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়ছে। বিআইডব্লিউটিএ ও উপজেলা প্রশাসনের খাস কালেকশনের নামে এই চাঁদা আদায় করা হয়। যতদিন এই বেপরোয়া চাঁদা আদায় বন্ধ না হবে ততদিন কয়লা চুনাপাথর বিক্রি ও বহন বন্ধ থাকবে বলে জানান তিনি।
সুনামগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা সুব্রত রায় জানান, নদীপথে বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার বেশি টোল আদায় করতে পারবে না। তাদেরকে বিষয়টি বলে দেওয়া হয়েছে। তবু যদি তারা অতিরিক্ত টোল আদায় করে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।
এম সি




