সংকটে ভুগছে দোয়ারাবাজারের মির্ধারপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০১:৪৩ AM

সংকটে ভুগছে দোয়ারাবাজারের মির্ধারপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা

মামুন মুন্সি, দোয়ারাবাজার

প্রকাশিত: ২১/০৯/২০২৩ ০৭:০১:৪১ AM

সংকটে ভুগছে দোয়ারাবাজারের মির্ধারপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা

ছবি : সংগৃহিত


সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার জাহাঙ্গীরগাও মির্ধারপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় শ্রেণি কক্ষ, একাডেমিক ভবন, শিক্ষক সংকট, আর্সেনিক মুক্ত টিউবওয়েল, প্রয়োজনীয় ডেস্ক, বেঞ্চের অভাব ও এমপিও ভুক্ত করণ স্বীকৃতি না পাওয়ায় নানান সমস্যার বোঝা মাথায় নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পাঠদান।

এ ছাড়া সামান্য বৃষ্টি হলেই জরাজীর্ণ টিনশেডের কক্ষগুলোর অধিকাংশের টিন নষ্ট হওয়ায় পানি পড়ে বর্ষায় বই-খাতা ভিজে যায়। এছাড়া প্রবাসী ও এলাকাবাসীর আর্থিক সহযোগিতায় মাদ্রাসাটি কোনো রকম পরিচালিত হয়ে আসছে। 

১৯৯২সালে উপজেলার একমাত্র মহিলা মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ভারতীয় সীমান্তবর্তী উত্তর জনপদের পল্লীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী এ মাদ্রাসাটি প্রায় প্রতি বছর দাখিল,জেডিসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় শতভাগসহ জিপিএ ৫ পেয়ে চমক সৃষ্টি করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক ফলাফল সন্তোষজনক হলেও একাডেমিক ভবন না থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ৮জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। টিউবওয়েল না থাকায় শিক্ষার্থীরা  পাশের অন্য বাড়ি থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করছে। 

সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, ১৯৯২সালে জাহাঙ্গীরগাও গ্রামের মরহুম মনোয়ার আলী, ভূমিদাতা মুখলেছ আলী,ইশাদ আলী মেম্বার , ওয়ারিছ আলী,আব্দুল কাদির, এরশাদ মিয়া এলাকায় মাদ্রাসা শিক্ষার বিস্তারে চাহিদা মেটাতে তাদের  উদ্যোগে ও এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় এ প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন। এ মাদ্রাসায় বর্তমানে প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেছে।মাদ্রাসার শিক্ষকগণ সামান্য সম্মানী নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন, সামান্য সম্মানী নিয়ে তাদের সংসার চালানো খুবই কষ্টকর হচ্ছে। 

মাদ্রাসার দাখিল শ্রেণির শিক্ষার্থী মাসুমা আক্তার  জানায়, ছাত্রীদের জন্য টয়লেট না থাকায় খুব বেশি সমস্যা। 

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবুল হোসাইন  জানান, মাদ্রাসাটিতে ৫শ’ শিক্ষার্থী পাঠদানের জন্য ৮জন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। মাদ্রাসাটি শুরু থেকে এ যাবৎ পর্যন্ত দাখিল (এসএসসি) জেডিসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষায় শতভাগসহ সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করে আসছে।একাডেমিক ভবন না থাকায় অতিকষ্টে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।

মাদ্রাসা সভাপতি ও  সাবেক ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন  জানান, বর্তমানে এ মাদ্রাসায় একাডেমিক ভবন, রাস্তা পাকা করণ ও সর্বপরি মাদ্রাসাটি জাতীয় করণ (এমপিও ভুক্তি) এখন সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মজিবুর রহমান জানান,আমি নবাগত বিষয়টি আমার জানা নেই।খোঁজ নিয়ে দেখবো।

A/B