ছবি : নিজস্ব
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শেষপ্রান্ত কামালপুর এবং পার্শ্ববর্তী জেলা কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের মধ্যস্থতা কুশিয়ারা নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মিঠামইন উপজেলার ৬নং খাটকাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়রা জানান, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ম্যাজিস্ট্রেড আসলে ড্রেজারটি মিঠামইনের অধীনস্থ অংশে চলে যায় আবার মিঠামইনের সংশ্লিষ্টরা আসলে আজমিরীগঞ্জ চলে আসে। এতে নদী ভাংঙনের কবলে পড়েছেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর এলাকার লোকজন।
কামালপুুরের স্থানীয় বাসিন্দা রহম আলীর পুত্র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত একমাস ধরে নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রতিদিন ২০টি স্টীল বডি নৌকা লোড করে নিয়ে যাচ্ছে চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম।যার প্রতি বডিতে বালু ধারণ করে ৭হাজার ৩শত ফুট। গত সপ্তাহে কামালপুর এলাকাবাসী ড্রেজারটি আটক করে কামালপুর বাজারে নিয়ে আসে। পরে তাজুল ইসলাম আর বালু উত্তোলন করবে না মর্মে ড্রেজারটি ছুটিয়ে নিয়ে যান। ৬অক্টোবর আবারো দেখা যায় নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
এব্যাপারে জানতে খাটকাল ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের মুঠোফোনে কথা বললে তিঁনি বলেন, খাটকাল থেকে ভৈরাডী রাস্থার ৯কোটি টাকার টিআরকাবিকা সরকারি কাজের বালু ভরাটের কাজটি আমি নিয়ে আসি। বালু ভরাট হবে এক থেকে দেড় কোটি টাকার। ৫-৭দিনের জন্য বালু উত্তোলন করতে মিঠামইন উপজেলার চেয়ারম্যান এবং ইউএনও'র কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়ে এসে বালু উত্তোলন করছি। তবে জায়গাটি হবিগঞ্জের না এটা মিঠামইনের অধীনে।
এবিষয়ে জানতে মিঠামইন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এরশাদ মিয়ার মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
এম সি




