বাহুবলে সড়কের উপরই পার্কিং করে রাখা হয় গাড়ি
বাহুবল উপজেলার মূল সড়কগুলোর দুই পাশে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যাত্রীরা।
বাহুবল উপজেলার অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ অফিসের সামনের সড়কের উপর হুটহাট করে গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়।
নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় সড়ক সহ যত্রতত্র এই সকল যানবাহন পার্কিং করা হচ্ছে বলে দাবি চালকদের।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, প্রায়ই রাস্তার উপর যানবাহন পার্কিং করে রাখা হয়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি, টমটম, অটোরিকশা পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম মানা হয় না।
ফলে সড়ক যেন যানবহন পার্কিংয়ের নিরাপদ স্থান হয়ে উঠেছে। যার ফলে ভোগান্তি গুণতে হচ্ছে রাস্তায় চলাচলরত পথচারী স্কুল, কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষকে। যততত্র এই পার্কিংয়ের ফলে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে চরম যানজটের।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাহুবল বাজার, মিরপুর বাজার, নন্দনপুর বাজার, ডুবাঐ বাজার, পুটিজরী বাজার সহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উপর দিনে রাতে নিয়ম বর্হিভূত যানবাহন পার্কিং করা হয়।
এ বিষয়ে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাও নিরব। ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা, বাড়ছে ভোগান্তি।
আমির হোসেন নামে এক পথচারীরা বলেন, এখন হুটহাট করে বৃষ্টি নামে। কিন্তু বৃষ্টি হলে দৌড়ে গিয়ে কোনো দোকানের নিচে গিয়ে আশ্রয় নেবো এমন উপায় নেই কারণ রাস্তার উপর গাড়ি থাকায় নড়াচড়া সম্ভব হয় না।
এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই বলেন,
সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার জসিম উদদীকে নিয়ে নির্ধারিত পার্কিং এর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, অদক্ষ ড্রাইভাররা যেখানে সেখানে পার্কিং করে তার ফলে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এই ব্যাপারে আগামী আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে আমি আলোচনা করব।
এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান জানান, আমার গাড়ি নিয়ে আমি বাড়িতে যেতে পারি না এই সিএনজি,টমটম, অটোরিকশা কারণে!
ড্রাইভাররা আমার কথা শুনেনা। বলেন আমি কি করবো?
এ ব্যাপারে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহুয়া শারমিন ফাতেমা বলেন, নিয়মিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা হচ্ছে। অদক্ষ ড্রাইভারদের কারণে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
ডি ডি




