যেন আবর্জনার ভাগাড়, চরম ভোগান্তি
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১১ AM

যেন আবর্জনার ভাগাড়, চরম ভোগান্তি

লাখাই প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭/১০/২০২৩ ১১:৩৩:৫২ AM

যেন আবর্জনার ভাগাড়, চরম ভোগান্তি

ছবি : নিজস্ব


লাখাই উপজেলার সুতাং নদীর পাড়ে অবস্থিত বুল্লা বাজার। নৌ পথ ও স্থল পথে যাতায়াতের সুবিধাজনক অবস্থায় বাজারে আসা যাওয়া করতে পাড়ে ক্রেতা বিক্রেতা । বাজারটি লাখাই  হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে থাকায় মালামাল আনা নেওয়ার সুবিধাজনক অবস্থায় ভাল থাকায় বাজারে আসছে অনেক ক্রেতা। বুল্লাবাজারে প্রায় পাঁচ শতাধিক ছোটবড় ব্যবসা প্রতিষ্টান রয়েছে। উপজেলার আওর অঞ্চলের বেষ্টিত লাখাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ বুল্লা বাজার,  এছাড়া রয়েছে কাঁচা বাজার,মাছের বাজার ও বাঁশের হাট। বাজারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উৎপাদনমুখী ছোট ছোট কারখানাও। এ সকল দোকান, কারখানা, শাকসবজি, ফলের দোকান, মৎস্য বাজারের  নানা ধরনের আবর্জনা ফেলার জন্যে নেই কোন সুনির্দিষ্ঠ স্থান।

তাই দোকানীরা যে যার মতো করে আবর্জনা,অব্যবহৃত দ্রব্যাদি যত্র তত্র ফেলে থাকে। কেউবা বাজারের পাশদিয়ে বয়ে চলা সুতাং নদীতে, কেউবা প্বার্শবর্তী খালে, বাজারের প্রবেশ পথের পাশেও আবর্জনা ফেলছে। দীর্ঘদিন যাবৎ বাজারের বিভিন্ন স্থান ময়লা আবর্জনা ফেলে স্তূপীকৃত করে রাখলেও তা অপসারনের কোন কার্যকরী উদ্যোগ লক্ষনীয় নয়।

এভাবে বছরের পর বছর ময়লা আবর্জনা জমতে জমতে এ স্থানগুলো যেন আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। আর এসব আবর্জনার ভাগাড় থেকে প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধ  ছড়াচ্ছে। দূষিত হচ্ছে বাজারের পরিবেশ। এমন দুর্গন্ধময় স্থানে চলাচলে ক্রেতাসাধারণের নাকেমুখে রুমাল দিয়ে চলতে হচ্ছে। বাজারের  এমন বেহাল অবস্থায় ক্রেতা বিক্রেতাদের ভোগান্তি চরমে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যেন তা দেখার কেউ নেই।

এদিকে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক ও অলি-গলি গুলো নিয়মিতপরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং ঝাড়ু দেওয়ায় বিধান থাকলেও নেই কোন ঝাড়ু ধার। সরেজমিন বুল্লাবজার গিয়ে দেখা যায় বাজারের শাহবায়েজিদ সড়কের আমিন মার্কেট সংলগ্ন পূর্বপাশে, সিংহগ্রাম সড়কের পশ্চিমাংশের খালে, ধানহাটের ঘাটলার সন্নিকটে, মাল্টি পারপাস সেডের সামনে,উইমেনস্ কর্নারের পাশে, গনশৌচাগারের সন্নিকটে ময়লা আবর্জনা স্তূপীকৃত রয়েছে। এতে তীব্র দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এছাড়াও বাজারের অভ্যন্তরীন সকল রাস্তায় ও অলি- গলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা আবর্জনা।

বুল্লাবাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশিক আহমেদ রাজিব জানান, বাজারের  নিষ্কাশন সহ নির্দিষ্ট কোন ডাস্টবিন না থাকার কারণে যত্রতত্র ময়লা ফেলা হয় এবং নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় পানি লেগে থাকার কারণে বিভিন্ন জায়গায় দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে তাই আমি বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে আসছি সব সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে আর ইতিমধ্যে বাজার পরিষ্কার করার জন্য দুজন লোক নিযুক্ত করা হয়েছে কিছুদিনের মধ্যে হয়তো যত্রযন্ত্র আবর্জনা থাকবে না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা সুলতানা জানান, বাজারের ইজারাদারের দায়িত্ব বাজার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। নিয়মিত ঝাড়ু দেওয়ার ব্যাবস্থা করা। আমি বিষয়টি দেখছি। শীগ্রই আমি সরজমিনেএসে সমস্যা চিহ্নিত করে এর ব্যবস্থা করব।

এম সি