ছবি : প্রতিনিধি
হবিগঞ্জে বিভিন্ন পূজামন্ডপে আজ রবিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে কুমারি পূজা আনুষ্ঠানিকতা।
হবিগঞ্জের কুমারী পুজায় ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কুমারী পূজা ঘিরে প্রতিবছরের ন্যায় হবিগঞ্জের রামকৃষ্ণ মিশনের পূজামন্ডপ ও ছিল উৎসবমুখর। বিভিন্ন বয়সের শত শত নর-নারীদের ভরপুর ছিল পুজার মন্ডপে।
শুরুতেই অনুষ্ঠানস্থলে আনা হয় দেবী দুর্গারূপে সজ্জিত ব্রাম্মণবাড়ীয়া জেলার সাবাজ পুরের বিপ্লব চক্রবর্তীর মেয়ে প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী আকৃতি চক্রবর্তীকে। তার পরনে ছিল লাল শাড়ী, হাতে শাখা,মাথায় সুস্বজ্জিত মুকুট আর দু-হাতে পুষ্প নিয়ে আসনে বসেন কুমারী আকৃতি।
এ সময় পুরোহিত সবার সামনে কুমারী পূজার মন্ত্রপাঠ করে পুজার কার্যক্রম শুরু করেন। ধর্মীয় আচারে মাধ্যমে কুমারী মাতাকে দেবী রুপে বরণ করা হয়। বরনের পরপর জেলা ও জেলার বাহির হতে আসা শতশত ভক্তরা উলুধনী ও প্রণামের মাধ্যমে কুমারী মাতাকে ভক্তি ভরে অঞ্জলী গ্রহন করেন। সনাতন ধর্মে দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই কুমারী পূজা।
শাস্ত্রমতে, নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই দেবী দুর্গার রূপে ১ থেকে ৯ বছর বয়সী একজন কুমারীকে সাজানো হয় মাতা রুপে । সব ধরনের পশুত্বকে বিলীন করে নারীকে সম্মান জানানোই কুমারী পূজার মূল লক্ষ্য।
প্রতিবছরের মতো এবারও অষ্টমীর দিনে কুমারী পূজা করতে হবিগঞ্জের রামকৃষ্ণ মিশনে উপস্থিত হন সনাতন ধর্মের শত শত অনুসারী ভক্তরা। সবার মাঝেই বিরাজ করে উৎসবের এক বিশাল আমেজ। কড়া নিরপত্তার মধ্যে কুমারী পুজা অনুষ্টিত হয়।
JA




