সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় নারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে গোলাগুলিতে দুলাল মিয়া নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন।
বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত দুজনকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যরা স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন।
নিহত দুলাল মিয়া দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের পুকিডর গ্রামের আলীম উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জগদল ইউপি চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন রশীদ লাভলু।
স্থানীয়রা জানান, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী আরজু খাঁন ও তার চাচাতো ভাই হোসেন খানের মধ্যে জমি-জামা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। কয়েকদিন আগে বাড়ির আঙ্গিনায় আরজু খানের লোকজন দেয়াল দেয়। পরে হোসেন খানের লোকজন তা ভেঙে দেয়। এতে উত্তেজনা বাড়ে। বুধবার সকালে আরজু খানের পক্ষের এক নারীর সঙ্গে প্রতিপক্ষের নারীদের কথা কাটাকাটি হয়। পরে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় দুপক্ষের লোকজনই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। আধা ঘণ্টা ধরে গোলাগুলি চলে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুলাল মিয়া (৫০) নিহত হন। এ ছাড়া বুদুর মিয়া ও গোল আহমদ নামের আরও দুজন গুরুতর আহত হন।
ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ লাভলু বলেন, ‘ঘটনাস্থলে এসে শুনেছি সংঘর্ষে দুপক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে।’
দিরাই থানার ওসি মুক্তাদীর আহমদ বলেন, ‘পারিবারিক বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। তবে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন কি না তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যাবে। এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
ডিডি




