মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার স্থানীয় উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কার্যক্রম- গ্রাউক'র আয়োজনে ১১তম বিনামূল্যে চক্ষু শিবির রাজনগরের চা-বাগানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি মৌলভীবাজারের রাজনগর চা-বাগান হাসপাতালে অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চা-শ্রমিকসহ বিভিন্ন গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত অন্তত ৫ শতাধিক রোগীকে সেবা প্রদান করা এই চক্ষু শিবিরেরর উদ্বোধন করেন গ্রাম উন্নয়ন কার্যক্রম- গ্রাউক'র ডিভিশনাল ম্যানেজার প্রণয় রঞ্জন বিশ্বাস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জুড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুমন, স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল পাশী, ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরামের ট্রেইনার বিষ্ণু পদ সাহা, গ্রাম উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রাউকের রিজিওনাল ম্যানেজার অতুল কুমার পাল, সুমন্ত কুমার বিশ্বাস, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিনয় কুমার পাল, মহাদেব ভূঁইয়া, রাহুল বিশ্বাস, প্রধান হিসাব রক্ষক বিপ্লব কুমার পাল, ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শরীফ শাহ আলম ভূইয়া, চক্ষু চিকিৎসক জেমস মারুন্ডী, নার্স রিপা মিত্র, মেডলিন, কাউন্সিলর নুপুর, অর্গানাইজার এস এম আজিজ, চা শ্রমিক সেবক সংগঠনের সভাপতি বিষ্ণু হাজরা, ছায়েদ আলী, এমটিবি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাসহ অনেকে।
দিনব্যাপী চক্ষু শিবিরে রোগীদের মাঝে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওষুধপত্র, চশমা ও পরিবেশ বন্ধু গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া অর্ধশতাধিক ছানিপড়া রোগীকে অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়।
এ পর্যন্ত গ্রাউক'র অধীনে বিভিন্ন ক্যাম্পের মাধ্যমে তিন হাজারের অধিক রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয় এবং আড়াই শতাধিক দরিদ্র গ্রামীণ রোগীর চোখে ক্যাটারেক্ট (এসআইসিএস) অপারেশনসহ লেন্স স্থাপন করা হয়েছে।
গ্রাম উন্নয়ন কার্যক্রম- গ্রাউক'র চেয়ারম্যান অশোক রঞ্জন পাল বলেন, গ্রাম উন্নয়ন কার্যক্রম- গ্রাউক ১৯৯৯ সালে জুড়ী উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছে। পাশাপাশি এমআরএ অনুমোদনক্রমে মাইক্রোফিনান্স কর্মসূচি পরিচালনা করছে। গ্রাম উন্নয়ন কার্যক্রম- গ্রাউক সবসময় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




