ছবি:সংগৃহীত
উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই বিশ্ব ঐতিহ্যের রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওরসহ মাহরাম নদী, কলাগাঁও ছড়া এবং যাদুকাটা নদীতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিনব্যাপী হাওরপাড়ের বিভিন্ন গ্রামে মাইকিং করে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় কয়েকটি কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়। পাশাপাশি সচেতন মহল, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, কমিউনিটির প্রতিনিধি, এনজিও কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ইউএনও।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে-শীতকালীন অতিথি পাখি শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, হাওরজুড়ে হাঁসের খামার ও গরু-মহিষের অবাধ বিচরণ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ, পরিবেশবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দিনভর পরিচালিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে হাওরপাড়ের জনগণকে এসব নির্দেশনার বিষয়ে অবহিত করা হয়।
পরিবেশবাদী সংগঠন ‘টাঙ্গুয়ার হাওর উন্নয়ন ফোরাম’-এর সহসভাপতি দুলাল কান্তি পাল ও কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক লিমন মাহমুদ বলেন, ‘হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইউএনও যেভাবে কাজ করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে টাঙ্গুয়ার হাওরের পুরনো ঐতিহ্য দ্রুতই ফিরে আসবে।’
নির্দেশনা জারি ও প্রচারণা কার্যক্রমের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, ‘টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




