ছবি:সংগৃহীত
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান বলেছেন, ‘গত ১৬ বছর আমি শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ছাতক-দোয়ারাবাসীর কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছি। আপনাদের কারণেই ছাতক আজ মিজান চৌধুরীর ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। আন্দোলনের বিভিন্ন সময়ে পুলিশের হামলা-মামলার ভয়কে উপেক্ষা করে আপনারা আমার পাশে ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম ২০২৬ সালে ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করবো। কিন্তু কিছুদিন আগে আমাকে প্রাথমিক মনোনয়ন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে আপনারা হতাশ হয়েছেন, কষ্ট পেয়েছেন, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন-আমি আপনাদের অনুভূতি বুঝি। আমিও স্থম্ভিত হয়েছিলাম। তবে আপনারা হতাশ হবেন না। প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্ত নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন।’
মিজান চৌধুরী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘ছাতক-দোয়ারাবাসীর স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা বিবেচনা করে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী পুনর্বিবেচনা করুন।’
রবিবার বিকেল ৪টায় ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্টে বিএনপির মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে তার নেতৃত্বে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে অনুষ্ঠিত গণমিছিলে গোবিন্দগঞ্জের রাজপথ উত্তাল হয়ে ওঠে। প্রায় ২০ হাজার নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে মিছিলটি জনস্রোতে পরিণত হয়। পথে পথে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। এসময় নেতাকর্মীরা স্লোগান তুলেন-দুর্দিনের মিজান ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই”, “এই সেই মানিনা, মিজান ভাই ছাড়া বুঝিনা” ইত্যাদি।
গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিজানুর রহমান চৌধুরী আরও বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি কৃতজ্ঞ। যখনই আপনাদের ডেকেছি, আপনারা জীবন বাজি রেখে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। ছাতক-দোয়ারার উন্নয়নের জন্য ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করেছি। তখনও হামলা-মামলা উপেক্ষা করে আপনারা আমার পাশে ছিলেন। আমি আপনাদের জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছি এবং শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো-ইনশাআল্লাহ।’
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




