জগন্নাথপুরে ছু*রিকা*ঘাতে স্কুল শিক্ষার্থী আহ*ত প্রতি*বাদে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর মান*ববন্ধন
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১০:৫১ AM

জগন্নাথপুরে ছু*রিকা*ঘাতে স্কুল শিক্ষার্থী আহ*ত প্রতি*বাদে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর মান*ববন্ধন

রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮/১১/২০২৫ ০৯:২৮:০৩ PM

জগন্নাথপুরে ছু*রিকা*ঘাতে স্কুল শিক্ষার্থী আহ*ত  প্রতি*বাদে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর মান*ববন্ধন

ছবি: জৈন্তা বার্তা


রাতের আধাঁরে ‘মিনি ফুটবল’ খেলাকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শাহারপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের উত্তরের মাঠে ছুরিকাঘাতে স্কুল শিক্ষার্থী গুরুত্বর আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে ‘স্কুল শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী’র উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে শাহারপাড়া বাজারে বৃহত্তর শাহারপাড়া গ্রামবাসীর আয়োজনে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১৪ নভেম্বর দিবাগত রাতে নোয়াগাঁও গ্রামের উত্তরের মাঠে অনুষ্ঠিত ‘১ম মিনি নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট নোয়াগাঁও-২০২৫ইং’র ম্যাচ শেষে দুই পক্ষের বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষ কর্তৃক ছুরিকাঘাতে শাহারপাড়া শাহ কামাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সৈয়দ সাইম ও সৈয়দ তাহমিদ আলী গুরুত্বর আহত হওয়ার ঘটনায় ১৭ই নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাহমিদ-সাইমের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের প্রতি মানবন্ধন কর্মসূচি থেকে জোরদাবী জানিয়েছেন শিক্ষাথী ও এলাকাবাসী। তা না হলে আগামীতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে হুশিয়ারী দেন। 

এলাকার মুরব্বী নূরজামাল আহমদের সভাপতিত্বে ও সংগঠক জুবায়ের আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এলাকার মুরব্বী আব্দুল হক কামালী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এলাকার মুরব্বী এমরান কামালী। বক্তব্য রাখেন সংগঠক শাওন কামালী, নাঈম আহমদ নাকিব, ফাহাদ কামালী, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শাহারপাড়া শাহ কামাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছাইম আহমদ, সৈয়দ হাসান আহমদ, শায়েক আহমদ, শাহিনুর আহমদ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, খেলাধুলা সমাজ থেকে মাদক’সহ সকল প্রকারের অপরাধ প্রবনতা দূরে করে, অথচ ইদানিং কিশোর গ্যাংয়ের কাছে জিম্মি হয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনে কারোও নিরাপত্তা নেই। যে কারণে আজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সৈয়দ সাইম ও সৈয়দ তাহমিদ। এছাড়া আহত হয়েছেন আরোও অনেকে। ঘটনার ৩-৪দিন হয়ে গেলেও পুলিশ প্রশাসন এব্যাপারে লক্ষণীয় কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। যদিও বিষয়টি থানা পুলিশ’সহ বিজ্ঞজনকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। 

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ