অভিযুক্ত এএসআই উজ্জল মোল্লার সঙ্গে নাহিদা আক্তার
হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক সন্তানের জননীকে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত এএসআই এর নাম উজ্জল মোল্লা। তিনি মাধবপুর থানার কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
সম্প্রতি এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটকের পর জব্দকৃত মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় খবর প্রচারিত হয়। পরে তাকে 'জনস্বার্থে' বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানায় কর্মরত আছেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ধর্মপাশা থানায় যোগদান করেন তিনি।
জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলানগর গ্রামের শিমুল মিয়ার স্ত্রী এক সন্তানের জননী নাহিদা (২২) কে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যান এএসআই উজ্জল মোল্লা। নাহিদার পাঁচ বছর বয়সী স্বর্না নামে এক মেয়ে রয়েছে। বিষয়টি দুইদিন আগে জানাজানি হয়।
সূত্র জানায়, নাহিদার স্বামী শিমুল মিয়া একটি মাদক মামলায় আটক হয়ে কিছুদিন জেলে ছিলেন। এসময় উজ্জ্বল মোল্লার সাথে নাহিদার পরিচয় ঘটে। উজ্জল মোল্লার বাড়ি রাজবাড়ী জেলায়। তিনি বিবাহিত।
এ বিষয়ে জানতে এএসআই উজ্জল মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, 'এসব ফাউ আলাপ। নাহিদাকে চিনি না।'
এ ব্যাপারে নাহিদা আক্তার জানান, তার স্বামীর সাথে দুই মাস আগে ডিভোর্স হয়েছে। তার স্বামী শিমুল নেশাগ্রস্ত। এএসআই উজ্জ্বল মোল্লার সাথে তার বিয়ে হয়েছে বলে এলাকায় যা রটেছে এটা গুজব। তবে উজ্জল মোল্লাকে ভালো লাগে তার। তার সাথে ঘুরতে গিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।
নাহিদার পিতা সিরাজ মিয়া জানান, নাহিদা চোখের চিকিৎসা করাতে ঢাকা গেছে। সিরাজ মিয়াও দাবি করেন নাহিদার স্বামী শিমুল মাদকাসক্ত।
শিমুল মিয়া জানান, 'নাহিদা তাকে তালাক দিয়েছে। কিছুদিন আগে নোটিশ পেয়েছেন। তবে তার ধারণা, তালাকের পেছনে উজ্জ্বল মোল্লার হাত রয়েছে।'
জৈন্তাবার্তা/এমকে




