ছবি:সংগৃহীত
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব এলাকার মানুষ যাতে নগরের প্রকৃত সুযোগ-সুবিধা পান, সে লক্ষ্যেই সিসিক কাজ করছে। নতুন ওয়ার্ডগুলোতে বড় সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রোববার বিকেলে সিলেট সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মিরাপাড়া পূর্বটিলা এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি এলাকার সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড সংখ্যা ২৭ থেকে বেড়ে ৪২ হয়েছে। নতুন ১৫টি ওয়ার্ড থেকে এখনো সিটি করপোরেশন কোনো কর পায় না। তারপরও এসব এলাকার উন্নয়নে সিসিকের সদিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই। ইউনিয়ন থেকে নগরে অন্তর্ভুক্ত হওয়া এসব এলাকা দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। নগরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও যদি এসব এলাকার উন্নয়ন না হয়, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি বলেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দারা যেন নগরের নাগরিক সুবিধা ও শহরের পরিবেশ অনুভব করতে পারেন, সে জন্য পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এসব এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী সড়ক নির্মাণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।
টেকসই সড়ক নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সিসিক প্রশাসক বলেন, বিটুমিনের সড়ক তুলনামূলকভাবে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে নতুন সড়ক নির্মাণে আরসিসি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যথাযথভাবে নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এসব সড়ক দীর্ঘদিন ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
মিরাপাড়া পূর্বটিলা এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এলাকার সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে সড়ক ও ড্রেন প্রশস্ত করতে হলে জনস্বার্থে এলাকাবাসীকে কিছু জমি ছেড়ে দিতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি এলাকার মসজিদের উন্নয়নেও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর উদ্দেশে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, তিনি বারবার এ এলাকায় আসবেন এবং স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে থাকতে চান। নগরবাসীর কল্যাণে সিটি করপোরেশন সব সময় মানুষের পাশে থাকবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান সুমন, মিরাপাড়া কেন্দ্রীয় মসজিদের মোতওয়াল্লি আব্দুল খালিক বাবর, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, লোকমান আহমদ, আব্দুল আহাদ, তারেক আহমদ, আব্দুল মতিন, জুনা মিয়া, সুহেল আহমদ, নজরুল ইসলাম, আদেল আহমদ ও শিপু আহমদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




