ছবি:সংগৃহীত
সিলেট নগরীর বালুচর শাহমাদানী ঈদগাহ থেকে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ইকোপার্ক পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি ২৪ ফুট প্রশস্ত করে টেকসই আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য ৬ ফুট করে মোট ১২ ফুট প্রশস্ত ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। ড্রেনের ওপর স্ল্যাব বসিয়ে তৈরি করা হচ্ছে পথচারীদের চলাচলের ফুটপাত। সড়ক, ড্রেন ও ফুটপাত নির্মাণে মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সড়ক ও ড্রেনের শেষ পর্যায়ের ঢালাই কাজ পরিদর্শন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এ সময় তিনি নির্মাণকাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন এবং ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান ও কাজের সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করেন।
পরিদর্শন শেষে সিসিক প্রশাসক বলেন, বালুচর-ইকোপার্ক সড়কটি নগরীর যোগাযোগব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ইকোপার্কসহ আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। জনসাধারণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কটি ২৪ ফুট প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে যাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে সড়কের দুই পাশে মোট ১২ ফুট প্রশস্ত ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। ড্রেনের ওপর স্থাপিত স্ল্যাবগুলো পথচারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় চলাচলের জন্য ফুটপাত হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট নগরীর যোগাযোগব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও টেকসই সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করছে। পরিকল্পিত সড়ক, কার্যকর ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক এবং নিরাপদ ও পথচারীবান্ধব ফুটপাত নির্মাণই সিসিকের মূল লক্ষ্য।
এ সময় তিনি নির্মাণকাজে সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত অবশিষ্ট কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী লিপু সিংহ, জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশের আগে একটি বিষয় যাচাই করুন: শিরোনামে ‘নির্মিত হয়েছে’ না লিখে ‘নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে’ রাখা হয়েছে, কারণ মূল প্রতিবেদনে কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়নি। ড্রেনের ওপর স্ল্যাব বসানোর কাজও পুরোপুরি শেষ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




