(বামে) নির্যাতিত সুমি আক্তার হাসপাতালে ভর্তি (ডানে) গ্রেপ্তারকৃত হামিদ মিয়া।
পুলিশকে অভিযোগ করার কারণে শ্রীমঙ্গলে এক মহিলাকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, উপজেলার মোহাজিরাবাদ এলাকার পাশাপাশি ঘরে বসবাস দুই জনের। ওই এলাকার তারা মিয়ার ছেলে হামিদ মিয়ার (৫৫) পানির পাইপ ছিদ্র থেকে ঝরনার মত পানি বের হয়ে পাশের ঘরের রুবেল মিয়ার স্ত্রী সুমা আক্তার (৩৫) এর উঠানে পানি পড়ে। এতে উঠান ভিজার কারণে সুমা আক্তারের ছেলে- মেয়েরা খেলাধুলা করতে অসুবিধা হয়।
বিষয়টি সুমা আক্তার হামিদ মিয়াকে জানালে হামিদ মিয়া সুমা আক্তারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে যান। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই সময় সুমা আক্তারকে মারধরও করেন হামিদ মিয়া বলে জানা যায়। এই বিষয়টি গত এক সপ্তাহ পূর্বে স্হানীয় ইউপি সদস্য আবু তাহেরকে জানালে তিনি বিচার করে দিচ্ছেন বলে সময় ক্ষেপন করতে থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পরে মহিলার পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে হামিদ মিয়াকে না পেয়ে তার স্ত্রীর নিকট বলে আসেন থানায় হাজির হতে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর হামিদ মিয়া তার দলবল নিয়ে পুলিশকে কেন জানালো হল এই কারণে সুমা আক্তারের হাত পা বেঁধে লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করতে থাকে। এতে সুমা আক্তারের হাতে পায়ে আঘাত প্রাপ্ত হন। সুমার দম বন্ধ হয়ে আসলে তারা তাকে ফেলে চলে যায়।
প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সুমা আক্তারকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় বলে জানান সুমা আক্তারের আত্মীয় মারফ মিয়া।
পরে রাতে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত হামিদ মিয়াকে গ্রেফতার করে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করেন বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে আশিদ্রোণ ইউনিয়ন পরিষদের স্হানীয় সদস্য আবু তাহের মিয়া সময় ক্ষেপন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,বিচারের ধার্য তারিখে তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা করে হাত ভাঙার কারণে বিষয়টি সমাধান করতে পারেন নি বলে জানান।
এ ব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার হামিদকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণের কথা নিশ্চিত করেন।
JA




