চুনারুঘাটে পিআইওর বিরুদ্ধে কোটি টাকারও বেশি হরিলুটের অভিযোগ
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪ AM

দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের

চুনারুঘাটে পিআইওর বিরুদ্ধে কোটি টাকারও বেশি হরিলুটের অভিযোগ

চুনারুঘাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩/০১/২০২৪ ০১:১৩:৪২ AM

চুনারুঘাটে পিআইওর বিরুদ্ধে কোটি টাকারও বেশি হরিলুটের অভিযোগ


চুনারুঘাট উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পালের বিরুদ্ধে কাবিখা, কাবিটা, টিআরও, কর্মসৃজন, ব্রিজ-কালভার্টসহ বিভিন্ন প্রকল্প কাগজপত্রে ভুয়া মাস্টারুল তৈরি করে কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আব্দুল জাহির নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসক ও দুদক বরাবরে অভিযোগ করেন।

অভিযোগে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে যোগদান করে তিনি এখানে একটি বলয় তৈরি করায় সঠিকভাবে কাজ করছেন না। সাম্প্রতিক সময়ে শীতকালীন শীতবস্ত্র (কম্বল) অসহায় গ্রামঞ্চল, চা বাগানে না দিয়ে তার মনগড়া পছন্দের লোকজনের নিকট পৌঁছে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে প্রকৃত অসহায় আর দুঃস্থদের নিকট সরকারি কম্বল পৌছায়নি । যে কারণে তারা কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে চা শ্রমিকরা চটের ছালা গায়ে দিয়ে রাত্রিযাপনের দৃশ্য সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে চুনারুঘাটে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পিআইও প্লাবন পাল গত ৫ বছরে বিভিন্ন প্রকল্প খাতে কোটি টাকারও বেশি হরিলুট করেছেন। তিনি ৪০ দিনের কর্মসিজনের কাজে প্রতি ইউনিয়ন থেকে ১০দিন করে মোট ১০০ দিনের কর্ম সিজনের কাজের টাকা আত্মসাৎ করেন। প্রতি কর্মসৃজনের মোট ৪০ লক্ষ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার বেপরোয়া লুটপাট নিয়ে কেউ কোন প্রশ্ন করলে প্রকাশ্যে গালাগালি, দুর্ব্যবহার করে থাকেন। পালিত বাহিনী দিয়ে হত্যার হুমকি দেন। গত বছর এই আলোচিত পিআইওর অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে একজন ইউপি চেয়ারম্যান মৌখিক অভিযোগ দিলেও কোন প্রতিকার হয়নি। হতদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পের সকল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যাণগণের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আদায় করেন পিআইও প্লাবন পাল। তাছাড়া আলোচিত এই পিআইওর বিরুদ্ধে অভিযোগ হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বরং সরকারী অফিসের চেয়ারে বসে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ ও ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পে অনিয়মের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে দুর্নীতি, অনিয়ম, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, অসৎ উপায়ে সম্পদ অর্জন করেছেন। যা তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসবে।

এছাড়াও আহম্মদাবাদ ইউনিয়নসহ উপজেলার আশ্রয়নে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় টাকার বিনিময়ে বিত্তবানদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। এমনকি সরকারি ত্রাণ বিতরণে নয়ছয় ও আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। সরকারি বরাদ্দের ত্রাণসামগ্রী তিনি নিজেই নামমাত্র বিতরণ দেখিয়ে অবশিষ্ঠ আত্মসাৎ করছেন। তা ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বাস্তবায়িত সব প্রকল্পের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ টাকা নেন তিনি।

এ বিষয়ে পিআইও প্লাবন পাল জানান, যে বা যারা অভিযোগ করেছে তারা মাঝে মাঝে আমার কাছে বিভিন্ন জিনিস আবদার করতো। তাদের চাহিদা না মেটানোর কারণে তারা এ অভিযোগ করেছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়।

জৈন্তাবার্তা/এমকে



শীর্ষ সংবাদ:

বুরুঙ্গা বাজার সড়কের প্রস্থ কমানোর অ*ভিযোগ, বাড়ছে দু*র্ঘটনার ঝুঁ*কি
নৈতিকতায় সমৃদ্ধ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে: হুমায়ুন কবির
‘আমার সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে এমসি কলেজ’ : এমপি এমরান চৌধুরী
কালনী নদীতে কুমিরের আবির্ভাব, জেলে-মাঝিদের মধ্যে চরম আ*তঙ্ক
অনলাইন জু*য়াড়িসহ ৬ জন গ্রে*প্তার, অ*পহৃত কিশোরী উ*দ্ধার
সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: আরিফুল হক চৌধুরীর
সুনামগঞ্জে কমেছে পানির স্তর, নেই বন্যার শ'ঙ্কা
আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা
সিলেটে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝ'ড়ের শ'ঙ্কা
সিলেটে উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসব