অর্থনৈতিক দিক থেকেও হলুদ চাষ লাভজনক রান্না করতে হলুদ, বিয়ে বাড়িতেও হলুদ। হলুদ মিশে আছে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস ও সাজগোজের সংস্কৃতিতে।
এ কারণে হবিগঞ্জের লাখাইয়ে অনেক চাষি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হলুদ চাষ করছে।বিশেষত পতিত জমিতে হলুদ চাষে বাম্পার ফসল হয়েছে। চলতি মৌসুমে লাখাই উপজেলায় হলুদের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।আবহাওয়া অনুকূল থাকায় উৎপাদিত হলুদের ফলন হয়েছে বেশ। মাঠে কৃষকরা হলুদ ওঠাতে ব্যস্ত এখন।
ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীরা ও অনেক ব্যক্তি কাঁচাহলুদ কিনে চাতালে সিদ্ধ করে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে শুরু করেছেন।
লাখাই উপজেলার করাব ইউনিয়ন হলুদ চাষি আব্দুল রহমান রাজু জানান, উপজেলার দক্ষিণ করাবে ব্যাপকহারে হলুদ চাষ করেছি । এ বছর হলুদের ফলনও হয়েছে বেশ ভালো।
লাখাই উপজেলার করাব ইউনিয়ন উপ কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন ৩৩ শতাংশ জমির জন্য ২২০ কেজি বীজ আমরা অফিস থেকে করাব গ্রামের চাষি আব্দুল রহমান রাজু কে বিনা মুল্যে দিই,সাথে আনুসাংগিক সার ও কীটনাশক দেয়া হয়। জাত ডিমলা, ফলন প্রায় ১১০ মন। কাচা হলুদ সে ১০০০টাকা মন বিক্রি করতেছে। তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই হলুদ চাষে এগিয়ে এসেছেন বলে জানান রফিকুল ইসলাম ।
তিনি আরো জানান, বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হলুদ চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। হলুদ চাষে যেমন ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতে পারে তেমনি জাতীয় চাহিদা পূরণ করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে।
কৃষিবিদ উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান মিজান জানান, হলুদের রয়েছে নানা গুণ। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে হলুদের কোনো জুড়ি নেই। খালি পেটে কাঁচা হলুদের রস খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।তিনি আরো বলেন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মসল্লা জাতীয় চাষ করতে কৃষককে উৎসাহিত করছি।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




