লাখাই হাওরাঞ্চলে রসুন চাষে সাফল্যে দেখছে কৃষকরা।
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার হাওরাঞ্চল বেষ্টিত ১নং লাখাই ইউনিয়ন ও ৬ নং বুল্লা ইউনিয়ন বিশেষ করে হাওড়াঞ্চল ভুক্ত এবং ফসলি জমি বছরের ৬-৭ মাস পানির নিচে থাকে।
পানি দ্রুত নামার সাথে সাথে পলি মিশ্রিত কাদা মাটিতে বিনা চাষে রসুন চাষে অপার সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা।
সরজমিনে লাখাই ইউনিয়নে কামালপুর গ্রামে দেখা লিয়াকত মিয়া, ইউনুছ মিয়া, সবিতা রানী দাস সহ কয়েকজন কৃষকের রসুন জমি। আইল থেকেই পাওয়া যাচ্ছে রসুনের গন্ধ। জমি নিরানি দিচ্ছে কয়েকজন শ্রমিক তাও আবার মহিলা ।কৃষিকাজে নারীর অংশগ্রহন দেখে খুব ভালো লাগলো। কৃষক মোঃ জরু মিয়ার সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, এলাকার এই নতুন আবাদ কৌশল উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার অমিত ভট্টাচার্য্য কাছ থেকে নেয় কয়েকজন কৃষক, তিনি আরো বলেন অমিত বাবু প্রদর্শনীও দিয়েছেন। ফসলের অবস্থা ভালো। সবিতা দাস বলে আগাছা বেশি হয় তাছাড়া কম খরচে ভালো ফলন হবে আশা করছি।
উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অমিত ভট্টাচার্য্য বলেন, এলাকার জন্য নতুন ফসল কৃষকদের উদ্ভোদ্ধ করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়, প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন আশা করা যায়। ফ্রিপ হতে প্রদর্শনী দিয়েছি বীজ সংগ্রহের জন্য অনেক সময় নষ্ট হয়েছে নয়তো আরো ভালো হতো।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




