হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ছয় মাস পানিতে ডুবে থাকার পর অনেক জমি পতিত থাকতো তাই অনেক পতিত জমি গুলোতে অনেক বড় বড় কৃষক আছে কোন কিছু চাষ করে না।এগুলো গোচারন ভুমি হিসেবেই ব্যবহার হয় ।
আগাছা পরিস্কার করে জমিগুলো চাষের আওতায় আনাও অনেক ব্যয়বহুল।আবার অনেক কৃষক শহরে থাকেন কিন্তু অজ্ঞাত কারনে কিংবা তেমন লাভবান না হওয়ায় জমি পতিত রাখেন আবার। কার্তিক মাসে মাটি ভেজা থাকা অবস্থায় মাসকলায় বিজ চিটিয়ে দিলেই ভালো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এই সকল কৃষকের সাথে সমন্বয় করে কিছু কৃষককে বিভিন্ন ফসল চাষে আগ্রহী করে তোলেন ।
মাষকলাই একটি উত্তম পুষ্টিমান সমৃদ্ধ ফসল।ডায়বেটিজ নিয়ন্ত্রন,হৃদরোগে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ উপকারিতা রয়েছে।
পতিত জমি ও স্থানীয় ভাষায় বলা কান্দিতে বিনা চাষে মাষকলাই আবাদ করে কৃষকরা রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছে বিঘাপ্রতি প্রতি ফলন হলো ৫-৬মন।
কৃষক মোঃ আন্নর মিয়া ও মনির মিয়া বলেন আমাদের কৃষি স্যার সাইনবোর্ড ,সার ও পোকা জন্য বিষ দিয়েছেন ট্রেনিং ও পাইছি।খরচাপাতি তেমন লাগেনি ফলন খুব ভাল অইছে।
উপ সহকারী কৃষি অফিসার অমিত ভট্টাচার্য্য বলেন বড় স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে তাদের পতিত জমি ও কান্দিতে বর্ষার পানি নামার সাথে সাথে মাসকলাই বীজ বুনে দিতে উৎসাহিত করেছি।
খুব ভাল লাগছে কৃষকদের খুশী দেখে তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনায় উদ্ভোদ্ধ হয়ে এক ইঞ্চি জমিও যেনো পতিত না থাকে সে লক্ষ্যে কাজ করছি।কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করেছি এখনই যদি স্বল্প মেয়াদী তিল বীজ ও কিছু উপকরণ দেয়া হয় তাহলে বর্ষার আগে আরো কিছু সফলতা পাবে কৃষকরা।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




