অবশেষে দখলমুক্ত করতে 'খোয়াই নদীতে' চলছে উচ্ছেদ অভিযান
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন

স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তির নিশ্বাস

অবশেষে দখলমুক্ত করতে 'খোয়াই নদীতে' চলছে উচ্ছেদ অভিযান

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩/০২/২০২৪ ০২:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন

অবশেষে দখলমুক্ত করতে 'খোয়াই নদীতে' চলছে উচ্ছেদ অভিযান

দখল-দূষণে মৃতপ্রায় পুরাতন খোয়াই নদীতে চলছে উচ্ছেদ অভিযান


হবিগঞ্জ শহরের পুরাতন খোয়াই নদীতে চলছে পরিচ্ছন্নতা ও উচ্ছেদ অভিযান। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ট্রাক ভর্তি করে সরানো হচ্ছে জমানো দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা। দীর্ঘদিনে ময়লার ভাগাড় পরিষ্কারের কাজ শুরু হওয়ায় খুশি স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এতে এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

ক্রমাগত দখল-দূষণে হবিগঞ্জের পুরাতন খোয়াই নদী প্রায় অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও খালের মতো থাকলেও অনেক এলাকাতে পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে নদীর অস্তিত্ব। ভয়াবহ দূষণের কারণে দুর্গন্ধ আর মশার উপদ্রবে নাজেহাল স্থানীয় বাসিন্দারা।

এছাড়া শহরের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের অন্যতম পথ ছিল পুরাতন খোয়াই। নদীটি ভরাট হওয়ায় এখন অল্প বৃষ্টিতেই দীর্ঘ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় শহরে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শহরবাসী।

এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে নদীটি দখল ও দূষণমুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছেন পরিবেশবাদী সংগঠন ও বাসিন্দারা। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ নিয়ে দৈনিক জৈন্তাবার্তায় 'দখলমুক্ত করা যাচ্ছে না 'খোয়াই নদী'' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

অবশেষে নদীটিকে ময়লা-আবর্জনামুক্ত করতে কাজ শুরু করেছে হবিগঞ্জ পৌরসভা। নিজ দায়িত্ব অবৈধ স্থাপনা সরানোর আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র। দীর্ঘদিনের এ জঞ্জাল অপসারণ হলে জলাবদ্ধতা ও দূষণ থেকে মুক্ত হবেন পৌরবাসী।

হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম বলেন, ‘নদীটি দখল ও দূষণমুক্ত করে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। আমরা চেষ্টা করছি এটিকে যতটুকু দৃষ্টি নন্দন করা যায়। তবে পৌর নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া ময়লা-আবর্জনা নদীতে ফেলা বন্ধ করতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু পৌরসভার পক্ষে শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে না।’

হবিগঞ্জ বাপার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, ‘নদীটি বাঁচাতে আন্দোলন করে আসছি। কাজ শুরু হয়েছে দেখে আমরা খুশি। তবে এর শেষ যেন হয় এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

২০১৯ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মাহমুদুর কবীর মুরাদ দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণের জন্য খোয়াই নদীতে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান করেন। পরে তার বদলির হলে উচ্ছেদ অভিযান থেমে যাওয়ার পর আবারও দখল হয়ে যায় এসব এলাকা।

জৈন্তাবার্তা/এমকে



শীর্ষ সংবাদ:

নিম্নচাপ রূপ নেবে প্রবল ঘূর্ণিঝ/ড়ে, আ/ঘাত হানতে পারে বুধবার
দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৩ হাজার ৩২৪ টাকা
সাইবার ঝুঁকিতে দেশের একাধিক ওয়েবসাইট বন্ধ
প্রধানমন্ত্রী কাল জাপান যাচ্ছেন, বিনিয়োগে নতুন গতির আশা
শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না শাবিপ্রবির মুনিরাকে
মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদ/ণ্ড: অ/পরাধ, বিচার ও ম/রদেহের বিষয়ে তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ
'আমার মৃ/ত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’-এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা
শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা
নবীগঞ্জ থানার হাজতে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও ধারণ, সহযোগী গ্রে/প্তার
দুর্নী/তিবাজ-চাঁদা/বাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার: শফিকুর রহমান