ভয়াবহ আগুনে পুড়ে অঙ্গার হবিগঞ্জের মাধবপুরের প্রবাসী প্রকৌশলী উত্তম রায়ের স্ত্রী রুবি রায় ও মেয়ে বিয়াংকা রায়।
পোল্যান্ডে বসেই খবরটি পেয়েছিলেন উত্তম কুমার রায়। ঢাকার বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের আগুনে দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছে তার স্ত্রী ফিলোপিনো নারী রুবি রায় (৪০) ও কন্যা বিয়াংকা রায় (১৭)।
উত্তম রায়ের ভাই বিশ্নু রায় জানান, খবর পেয়ে উত্তম কুমার রায় পোল্যান্ড থেকে দেশে এসেছেন শনিবার (২ মার্চ)। এখন স্ত্রী ও কন্যার মরদেহ নিয়ে মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের বানেশ্বরপুর গ্রামে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
নিহত প্রিয়াংকার বড় চাচা বিষ্ণু রায় জানান, খবর পেয়ে উত্তম কুমার রায় পোল্যান্ড থেকে দেশে এসেছেন শনিবার (২ মার্চ)। এখন স্ত্রী ও কন্যার মরদেহ নিয়ে মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের বানেশ্বরপুর গ্রামে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মা-মেয়ে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁয় খাবার আনতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়ে নিহত হন।
তিনি আরো জানান, তার ছোট ভাই উত্তম কুমার রায় ১৯৯৬ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হুন্দাই কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে ফিলিপাইনের নাগরিক রুবি রায়কে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে তিনি ওই কোম্পানির চাকরিসূত্রে পোল্যান্ডে যান। এ সময় স্ত্রী-মেয়েকে দেশে রেখে যান। তারা ঢাকার মালিবাগে থাকতেন।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




