‘বাংলাদেশে হিন্দু নি*র্যাতনের’ বিরুদ্ধে ভারতে ‘স্বাভিমান যাত্রার’ ডাক
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ PM

‘বাংলাদেশে হিন্দু নি*র্যাতনের’ বিরুদ্ধে ভারতে ‘স্বাভিমান যাত্রার’ ডাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫/১০/২০২৪ ০২:৪৮:১৮ AM

‘বাংলাদেশে হিন্দু নি*র্যাতনের’ বিরুদ্ধে ভারতে ‘স্বাভিমান যাত্রার’ ডাক

ছবি সংগৃহীত


বিহারের মুসলিমপ্রধান পাঁচ জেলায় পাঁচ দিনের ‘স্বাভিমান যাত্রা’ বা ‘আত্মসম্মান যাত্রা’ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের টেক্সটাইল মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। বাংলাদেশের হিন্দুদের নির্যাতনের বিষয়টি সামনে হাজির করেই এই যাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

বাংলাদেশের মতো ভারতেও যাতে হিন্দুদের নির্যাতন-হত্যার শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং ভারত যেন বাংলাদেশের হিন্দুদের রক্ষায় ভূমিকা রাখে তার দাবিতেও এই যাত্রার আয়োজন করা হবে। তবে এই যাত্রার বিষয়টি বিহারের ক্ষমতাসীন জনতা দলের (ইউনাইটেড) মধ্যে অস্বস্তির জন্ম দিয়েছে। তার চেয়েও বড় কথা, এই যাত্রার গতিপথ মুসলিমপ্রধান জেলাগুলোর মধ্য দিয়ে হওয়ায় বিষয়টি আরও উত্তেজনা উসকে দিয়েছে। 

আক্রমণাত্মক বক্তব্যের জন্য পরিচিত গিরিরাজ সিং বলেছেন, ‘এই যাত্রা হিন্দুদের মধ্যে ঐক্য আনবে। যারা (জনতা দল-ইউনাইটেড) এখন আপত্তি তুলছেন, তাঁরা যখন (বিরোধী দল রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা) তেজস্বী যাদব মুসলিম ভোটারদের একত্র করতে যাত্রার আয়োজন করেছিলেন, তখন তা করেনি।’

হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের গুরুত্বপূর্ণ মুখ গিরিরাজ সিং বলেন, ‘হিন্দু স্বাভিমান যাত্রা হিন্দুদের একত্র করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যাতে তারা বাংলাদেশের হিন্দুদের মতো বিপর্যয়ে না পড়ে।’ তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের ওপর অত্যাচার সহ্য করবে না। বাংলাদেশে যেদিন ঘটনার সূত্রপাত হয়, সেদিনই আমার মাথায় চিন্তা আসে যে, হিন্দুদের একত্রিত হওয়ার সময় এসেছে।’ 

ভারতের কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষেরা ভুল করেছিলেন। দেশভাগের সময় যদি সব মুসলিম জনগোষ্ঠী পাকিস্তানে চলে যেত, তাহলে আজ আমরা এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতাম না।’ তিনি বলেন, ‘আমি বহুবার বলেছি যে, হিন্দুরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হয় তাহলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হবে। সনাতনীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।’ 

বিজেপির এই নেতা জানান, স্বাভিমান যাত্রা বিহারের ভাগলপুর থেকে শুরু হবে। ১৮ অক্টোবর পূজা ও হবনের পর যাত্রাটি কাটিহার, পূর্ণিয়া ও আরারিয়া হয়ে কিষানগঞ্জে গিয়ে শেষ হবে। এই পাঁচ জেলা বিহারের সীমান্তের অংশ এবং সেখানে উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনসংখ্যা আছে।

জৈন্তা বার্তা/আরআর



শীর্ষ সংবাদ:

সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বাড়লেও ব*ন্যার আ*শঙ্কা নেই
ইউএনওর নাম ভা*ঙিয়ে সরকারি গাছ কা*টার অ*ভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন
স্বাস্থ্যসেবায় একসঙ্গে কাজ করবে সিসিক-সেলফলেস ইউকে
সিলেটে হামের উপসর্গে মৃ'ত্যু বেড়ে ১০৮
জৈন্তাপুরে ১৪ বছর পর গ্রে'প্তার যাব'জ্জীবন সা'জাপ্রাপ্ত আ'সামি
সিলেটে সোয়া ৩ কোটি টাকার চো'রাই পণ্য জ'ব্দ
জরাজী*র্ণ বাস টার্মিনাল সড়ক দ্রুত সংস্কারে সওজের প্রতি সিসিক প্রশাসকের আহ্বান
সিলেটে স্বাস্থ্য খাতে অ*ভিযান অব্যাহত, এবার সুরমা ভ্যালী হাসপাতাল ও ফার্মেসি
উন্নয়ন আরও গতিশীল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন: সিসিক প্রশাসক
বিএনপি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে: এমপি সৈয়দ মো. ফয়সল