বিশ্ব গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার গ্রে প্তা রি পরোয়ানা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ PM

বিশ্ব গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার গ্রে প্তা রি পরোয়ানা

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭/১০/২০২৪ ০৫:১২:৩৯ AM

বিশ্ব গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার গ্রে প্তা রি পরোয়ানা

ছবি: সংগৃহীত


আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) হাসিনার বিরুদ্ধে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগের’ বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এর প্রথমদিনেই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি বিশ্ব গণমাধ্যমে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। এরমধ্যে বার্তাসংস্থা রয়টার্স তার শিরোনামে লিখেছে, ‘নির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি’।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি শিরোনাম করেছে, ‘শেখ হাসিনা: সাবেক নেতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি।’ অন্যান্য সংবাদমাধ্যমগুলোতেও শিরোনাম প্রায় একই রকম করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জারি করা পরোয়ানা নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন। সম্প্রতি জানা গেছে, হাসিনাকে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়েছে ভারত। যা দিয়ে তিনি চাইলে অন্য দেশে যেতে পারবেন। কিন্তু তিনি যদি ভারতে থেকে থাকেন তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাকে ফেরত দিতে হবে।

এদিকে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করতে ২০১০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সেই ট্রাইব্যুনাল জামায়াত-বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করা হয় এবং তা কার্যকরও হয়। সেই মানবতাবিরোধী অপরাধে এখন অভিযুক্ত হয়েছেন শেখ হাসিনা। এখন এই আদালতে তারও বিচার হবে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঠেকাতে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। প্রায় দেড় হাজার মানুষ প্রাণ হারায় এই আন্দোলনে। হাসিনা সরকারের ১৫ বছরের শাসনের অবসানের পর শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিলে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার করার সিদ্ধান্ত হয়।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে গঠিত এ ট্রাইব্যুনালেও পরিবর্তন আনা হয়। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারকে প্রধান করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল পুনর্গঠনের অনুমোদন দেয় আইন মন্ত্রণালয়। ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা ১৫ অক্টোবর বিচারিককাজে যোগ দেন।

ছাত্র আন্দোলনের সময় কয়েকশ মৃত্যুর ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বিবেচনা করে শেখ হাসিনাসহ ক্ষমতাচ্যুত সরকারের কয়েক ডজন মানুষের বিরুদ্ধে বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে এরইমধ্যে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে।

জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার



শীর্ষ সংবাদ:

শিক্ষার গৌরব ফিরিয়ে আনছে বিয়ানীবাজার, এ সাফল্য সিলেটের গর্ব : এমপি এমরান
সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বাড়লেও ব*ন্যার আ*শঙ্কা নেই
ইউএনওর নাম ভা*ঙিয়ে সরকারি গাছ কা*টার অ*ভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন
স্বাস্থ্যসেবায় একসঙ্গে কাজ করবে সিসিক-সেলফলেস ইউকে
সিলেটে হামের উপসর্গে মৃ'ত্যু বেড়ে ১০৮
জৈন্তাপুরে ১৪ বছর পর গ্রে'প্তার যাব'জ্জীবন সা'জাপ্রাপ্ত আ'সামি
সিলেটে সোয়া ৩ কোটি টাকার চো'রাই পণ্য জ'ব্দ
জরাজী*র্ণ বাস টার্মিনাল সড়ক দ্রুত সংস্কারে সওজের প্রতি সিসিক প্রশাসকের আহ্বান
সিলেটে স্বাস্থ্য খাতে অ*ভিযান অব্যাহত, এবার সুরমা ভ্যালী হাসপাতাল ও ফার্মেসি
উন্নয়ন আরও গতিশীল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন: সিসিক প্রশাসক