ছবি নিজস্ব
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখার সময় এক ব্যক্তিকে দেখা যায় ১ কেজি আলু, ১ কেজি মুখি ও ১ কেজি পেঁপে কিনে ব্যাগের মধ্যে রাখেন। কিন্তু টাকা দেওয়ার সময় দেখা যায় ব্যাগ থেকে বের করে টমেটো ফিরিয়ে দেন আর অন্য সবজির দাম দেন। কাছে গিয়ে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সবজির যে দাম, চাহিদামতো নেওয়া যায় না। দামের তুলনায় পকেটে টাকা কম, তাই কিছু সবজি ফিরিয়ে দিলাম। আমরা গরিব মানুষ, আয় থেকে ব্যয় বেশি। এত টাকা দিয়ে সবজি কিনবো কেমনে? বর্তমানে টিকে থাকাই মুশকিল।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সবজির দাম। শীতের আসার কিছু আগেও আজমিরীগঞ্জের বাজারগুলোতে সবজির দাম চড়া। মুরগী ও মাছের দামেও নেই স্বস্তি। বিক্রেতারা বলছেন, উৎপাদন হয় এমন এলাকায়ও সবজির দাম চড়া।
আজমিরীগঞ্জের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। পেঁপে বাদে বেশিরভাগ সবজি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকার বেশি দামে। আর টমেটো পৌঁছেছে ডাবল সেঞ্চুরিতে!
এছাড়া বাজারে বরবটি ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বেগুন ১২০টাকা, শিম ১৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, চিচিঙা ৮০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, জলপাই ৮০ টাকা, তেঁতুল ৮০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, আলু ৬৫ টাকা, মুখি ৭০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, পেঁপে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা ও কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এসব সবজির দাম কোনোভাবেই কমছে না। এতে করে বিপাকে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শীতের শুরুতে সবজি বাজারে আসা শুরু করলেও দাম কমছে না।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




