প্রতীকী ছবি
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার স্বজনগ্রামের শহিদ মিয়ার মেয়ে কল্পনা বেগম ১৩ নামে এক গৃহকর্মীকে কে রড বাসের লাঠি গরম পানি দিয়ে ঝলসে দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতন চালায়।ভেঙে দেওয়া হয়েছে ৪টি দাঁত। ঐ গৃহকর্মী শনিবার (১৯অক্টোবর) ঢাকার ভাটারা এলাকার আই ব্লকের ৩ নম্বর রোডের ৪৬৬ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় ।ঐদিন গৃহকর্ত্রী দিনাত জাহান কে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে নিয়ে গেলে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুল হক একদিনের রিমান্ড শেষে আসামি কে আদালতে হাজির করেন,মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা করেন এসআই ওবায়দুল হক মালমা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করেন । যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরোবিয়া খানমের আদালত আসামি কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
উল্লেখ্য লাখাই উপজেলার স্বজনগ্রামের গৃহপরিচারিকা কল্পনা ১৩ কে অমানবিক নির্যাতন করলে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ভাটারা থানা পুলিশ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত তরুণীকে। আহত কল্পনার শরীরের বিভিন্ন জায়গা গরম পানি দিয়ে ঝলসে দেওয়া হয়েছে এবং ৪টি দাঁত উপড়ে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়াও চুল স্টেইট করার যন্ত্র দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শরীরের নানা অংশ।
গুরুতর জখমের শিকার কল্পনা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তার মা আফিয়া বেগম বাদী হয়ে ১৯ অক্টোবর ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
জৈন্তাবার্তা / রহমান




