ছবি: নিজস্ব
সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে তিন বছর আগে কাগজপত্র পাঠানো হয়। কিন্তু বরাদ্দ মিলেনি কোনো আর্থ। তাই সংস্কার হচ্ছে না হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখার ডাকঘরটির। জীর্ণ অবস্থায় ডাকঘরের কার্যক্রম চলছে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জলসুখার ডাকঘরে রয়েছে ব্রিটিশ আমলের তৈরি একটি টিনের ঘর। এখন পর্যন্ত কোনো সংস্কার করা হয়নি ওই ঘরের। ডাকঘরটি দরজা-জানালা বিহীন জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে রয়েছে। কার্যক্রম চলে ইডিআই (পোস্ট মাস্টার) এর বাড়িতে। যেন মানুষের খবর পৌঁছে দেয়া ডাকঘরের খবরই রাখছে না কেউ। যদিও দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলছেন নতুন ভবনের জন্য জায়গা ছিল না। তারপর জলসুখা দক্ষিণ পাড়া মহল্লা থেকে জায়গায় দেওয়া হয়েছে এবং সেটির কাগজপত্র মন্ত্রণালয়েও পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বরাদ্দের খবর পাওয়া যায়নি।
পোস্টমাস্টার মো. মাজিদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোন আলাপ করলে তিনি বলেন, জরাজীর্ণ এ ডাকঘরটি সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে তিন বছর আগে কাগজপত্র পাঠানো হয়। কিন্তু সংস্কারের জন্য কোনো আর্থিক বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এবং বহুবার কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে কোনো লাভ হয়নি। বর্তমানে কার্যক্রম নিজ বাড়িতে করছি।
ডাকঘর পরিদর্শক সূর্য লাল দাসের সঙ্গে এব্যাপারে আলাপকালে তিনি বলেন, বর্তমানে যে জায়গা আছে, সে জায়গা দিয়েই ভবন হবে। মন্ত্রণালয় থেকে ভবন তৈরির জন্য জায়গার চাহিদা চাওয়া হয়। প্রতি বছরই তালিকা করে চাহিদা অনুযায়ী তালিকা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো বরাদ্দ আসেনি। এ ডাকঘরে দুইজন পোস্ট মাস্টার ও পিয়ন রয়েছে। তারা কার্যক্রম চালান ইডিএ (পোস্ট মাস্টার) এর বাড়িতে।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




