বড়লেখায় দু র্নী তি অভি*যোগে প্রধান শিক্ষকের অপসা*রণের দাবিতে মা ন ব ব ন্ধ ন
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০ PM

বড়লেখায় দু র্নী তি অভি*যোগে প্রধান শিক্ষকের অপসা*রণের দাবিতে মা ন ব ব ন্ধ ন

মোহাম্মদ মোস্তফা উদ্দিন, বড়লেখা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩/০৭/২০২৫ ০৯:৩২:১৩ PM

বড়লেখায় দু র্নী তি অভি*যোগে প্রধান শিক্ষকের অপসা*রণের দাবিতে মা ন ব ব ন্ধ ন

ছবি: নিজস্ব


মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ডিমাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মীর মুহিবুর রহমানের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে তাকে দ্রুত অপসারণের দাবিতে বুধবার দুপুরে শিক্ষার্থী অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিদ্যালয় মাঠে মানববন্ধন করেছেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক মীর মুহিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছেন, তিনি অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিয়েছেন,শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছেন। এসব বিষয়ে আমরা এলাকাবাসী বিগত ১৯ মে ২০২৫ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করে কোন প্রতিকার না পেয়ে ২৬ মে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার বরাবর আরো একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। বারবার অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে আজ আমরা এলাকাবাসী ও অবিভাবক মিলে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করার পাশাপাশী মহাপরিচালক,প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করছি। 

বক্তারা আরও বলেন, বছরের পর বছর ধরে প্রধান শিক্ষক মীর মুহিবুর রহমান এই স্কুলে দুর্নীতি করছেন। একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে শুধু তদন্তই চলে, অভিযোগের সত্যতা পান তদন্ত কর্মকর্তা। কিন্ত তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন এলাকাবাসী ফুঁসে উঠছে। তাকে অপসারণ করা না হলে অভিভাবকবৃন্দ ও এলাকাবাসী আরো বড় কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

মানববন্ধনে জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাবেক ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিন, শিক্ষার্থী অভিভাবক বিলাল আহমদ, সুমি বেগম, ফয়সল আহমদ, মুজিবুর রহমান, আপ্তাব আলী প্রমুখ।

এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মীর মুহিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো দুর্নীতি করেননি। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও সরকারি অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার ব্যাপারে বলেন, যতাযত নিয়ম মেনে শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠিয়েছিলেন। কেন শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তির আওতায় পড়েনি তা বলতে পারছেন না। 

উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম জোবায়ের আলম জানান, খবর পেয়ে তিনি সহকারি শিক্ষা অফিসার সৌরভ গোস্বামীকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন। এসময় এ বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তিনি যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখেছেন তাতে ওই প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটিতে পাঠানো হতে পারে। শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির বিষয়ে বলেন, প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের তথ্য ও চাহিদা পত্র সঠিক ভাবে জমা দেননি, তাই দরিদ্র শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এমন ভুল যারা করেছেন,তাদের জন্য আগামিতে সুযোগ রয়েছে উপবৃত্তি প্রাপ্তির। 

জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার



শীর্ষ সংবাদ:

সিলেটে পুলিশের বিশেষ অ'ভিযানে গ্রে'প্তার ৫৮
সিলেটে আগামী ৪ দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
পরিসংখ্যানে স্পেন, মেসির জাদুতে আর্জেন্টিনা-কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ?
শিক্ষা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব সুদৃঢ় করার শক্তিশালী মাধ্যম : এমপি এমরান চৌধুরী
বৈ*ষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে কাজ করতে হবে: আবুল কাহেরচৌধুরী শামীম
ঝটিকা মিছিল নিয়ে উত্তাল সিলেট, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অ*ভিযোগ ছাত্রদলের
সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: এমপি এমরান চৌধুরী
সিলেটে বিশেষ অ'ভিযানে গ্রে'প্তার ৪৬ জন
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃ'ত্যু
বুরুঙ্গা বাজার সড়কের প্রস্থ কমানোর অ*ভিযোগ, বাড়ছে দু*র্ঘটনার ঝুঁ*কি