সংগৃহীত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী খাইরুলকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। ঘটনার পর অভিযুক্তদের একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। এর কিছুক্ষণ পরই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুই নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়।এর আগে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ৩২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, সহপাঠী খাইরুলের ওপর সংঘটিত হামলার সুষ্ঠু বিচার এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপেরও দাবি জানানো হয়।
এদিকে অভিযুক্তদের একজন (তারেক রহমান) ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবি করেন, ঘটনাটি একপাক্ষিকভাবে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হলের একটি বিষয় নিয়ে শিক্ষককে কেন্দ্র করে কথোপকথনের জেরে ঘটনাটির সূত্রপাত হয়। তিনি দাবি করেন, খাইরুল প্রথমে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং পরে শারীরিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তার সহপাঠী হাসিবও আহত হন, হাত ও চোখে আঘাত পান এবং তার মোবাইল ফোন ভেঙে যায়। তবে এসব বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা বা সংবাদ প্রকাশিত হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে আজ (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমানকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির অনুমোদন করেছেন।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




