ছবি: নিজস্ব
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় খালের পানিতে পড়ে রঞ্জন দাস টুনু (৫০ ) নিখোঁজ হওয়ার ১৭ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।
রবিবার (১০ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাকে উদ্ধার করে। রঞ্জন দাস টুনু হলেন তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের সূর্যেরগাঁও গ্রামের সুনিল দাসের ছেলে। পেশায় ছিলেন একজন কাঠমিস্ত্রি।
এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৮ টায় তাহিরপুর উপজেলার রতনশ্রী গ্রামের বাড়ি ফেরার সময় খালে পড়ে স্রোতের টানে পানিতে ডুবে যান রঞ্জন দাস। এরপর তিনি নিখোঁজ হন। পরে খালের পাড়ে হেঁটে যাওয়া একজন তাকে ভেসে যেতে দেখলে তিনি চিৎকার দেন। তখন আশপাশের লোকজন ও টুনুর স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি্রে করে পায়নি। স্থানীয়দের খবরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে এলেও রাত হয়েছে এবং তাদের ডুবুরি নেই জানিয়ে অপারগতা স্বীকার করে। সকালে খোঁজাখুঁজি করবে বলে তারা চলে যায় সেখান থেকে। পরে আজ দিনে সুনামগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাকে উদ্ধারের অভিযানে নেমে দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর সুবল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, রবিবার সকাল ৭টা থেকে সুনামগঞ্জ সদর থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযানের কাজ শুরু করে। দীর্ঘ সাত ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় নদীর পাশেই তার ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জৈন্তাবার্তা / এম সি




