ছবি: জৈন্তা বার্তা
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মোহাম্মদনগর দক্ষিণ (কড়িয়া) গ্রামে কয়েক যুগ ধরে ব্যবহৃত একটি গ্রামীণ রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালী নারী আফতারুন নেছা। এতে অন্তত ৪০টি পরিবারের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে মোহাম্মদনগর দক্ষিণ গ্রামের আজিজুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর ইউএনও গালিব চৌধুরী দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগ ও সরেজমিন সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর দক্ষিণ গ্রামবাসীর চলাচলের একমাত্র রাস্তা আফতারুন নেছার বাড়ির পূর্ব পাশ দিয়ে দক্ষিণের সরকারি রাস্তায় যুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে এই পথ দিয়েই গ্রামবাসী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা যাতায়াত করে আসছেন। বিকল্প রাস্তা না থাকায় এটি এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু গত সপ্তাহে আফতারুন নেছা হঠাৎ করে বাড়ির সামনের ওই রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেন। এর আগে চলতি বছরের আগস্টেও একইভাবে রাস্তা বন্ধ করলে থানা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা খুলে দেওয়া হয়। তবে প্রতিবাদ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত ৭ অক্টোবর তিনি ৯ জনের বিরুদ্ধে বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। এরপর পুনরায় রাস্তায় বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেন।
অভিযোগকারী আজিজুর রহমান জানান, রাস্তাটির একটি অংশ পাশের জমির মালিক রাস্তার নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন, বাকি অংশ সরকারি খাস জমি। অথচ আফতারুন নেছা সেটিকে নিজের জমি দাবি করে জোরপূর্বক দখল করে নিচ্ছেন। এতে কয়েকশ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এ বিষয়ে ইউএনও গালিব চৌধুরী বলেন, ‘রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে দ্রুত সরেজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




