হাকালুকি হাওরে রোপণ করা হচ্ছে ১২ হাজার হিজল গাছ
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০২:৩৮ PM

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্যোগ

হাকালুকি হাওরে রোপণ করা হচ্ছে ১২ হাজার হিজল গাছ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০/০১/২০২৬ ১২:৩৯:২৮ AM

হাকালুকি হাওরে রোপণ করা  হচ্ছে ১২ হাজার হিজল গাছ

ছবি:সংগৃহীত


দেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির পরিবেশ সুরক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় ১২ হাজার হিজল গাছের চারা রোপণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। হাওরাঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং জলজ প্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণে এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। 

নবপল্লব প্রকল্পের আওতায় সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) এর বাস্তবায়নে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সম্প্রতি হাকালুকি হাওরের চাতলা বিল এলাকায় হিজল গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ দস্তেগীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও সিএনআরএস এর ফিল্ড ম্যানেজার মোস্তফা হায়দার মিলন। 

এ সময় জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ দস্তেগীর বলেন, হাওরাঞ্চলে নির্বিচারে গাছ কাটা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভ‚মিক্ষয় মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় হিজলের মতো জলাভ‚মি উপযোগী গাছ রোপণ করা হলে মাটির বাঁধন শক্ত হবে এবং ঢেউয়ের আঘাত থেকে হাওর রক্ষা পাবে। পাশাপাশি হিজল গাছের ডালে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর নিরাপদ আশ্রয় ও প্রজনন ক্ষেত্র গড়ে উঠবে। হিজল গাছ হাওরের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি প্রজাতি। এটি দীর্ঘ সময় পানির নিচে টিকে থাকতে পারে এবং তীব্র স্রোত সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। হাওরের ইকো-সিস্টেম রক্ষায় এটি কার্যকর ভ‚মিকা পালন করে। 

তিনি এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখার আহŸান জানিয়ে বলেন, হাকালুকি হাওরে এই ১২ হাজার হিজল গাছ বড় হলে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের পরিবেশের আমূল পরিবর্তন হবে এবং হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। 


জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ: